
নিউজ ডেস্ক: মানিকগঞ্জ জেলায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, সৃজনশীল পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বিকাশে বিশেষ অবদান রাখায় ছয়জন শিক্ষককে ‘শ্রেষ্ঠ শিক্ষক’ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন দুজন প্রধান শিক্ষক, দুজন সহকারী শিক্ষক এবং দুজন কাব শিক্ষক। প্রতিটি বিভাগে একজন পুরুষ ও একজন নারী শিক্ষককে এ সম্মাননার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) জেলা বাছাই কমিটির অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে জেলা পর্যায়ে এ নির্বাচন সম্পন্ন হয়।
জেলা বাছাই কমিটির সদস্যরা হলেন— জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) ফারজানা প্রিয়াংকা এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুকুল চন্দ্র দেবনাথ।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুকুল চন্দ্র দেবনাথ জানান, ছয়টি ক্যাটাগরির প্রতিটিতে সাতজন করে শিক্ষক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দীর্ঘ যাচাই-বাছাই, শিক্ষাদানের দক্ষতা, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা, সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে অবদানের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে ছয়জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে।
শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন সিংগাইর উপজেলার সাহরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
অন্যদিকে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা হয়েছেন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কামরুন্নাহার।
শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সিংগাইর উপজেলার রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আহসান উদ্দিন।
এ বিভাগের শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষিকা হয়েছেন হরিরামপুর উপজেলার কুটিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ঊর্মি আক্তার।
এ ছাড়া শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন ঘিওর উপজেলার চঙ্গশিমুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাশেম।
আর শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষিকা হয়েছেন হরিরামপুর উপজেলার আন্ধামানিক মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শামসুন্নাহার।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ বলছে, শিক্ষকদের এমন স্বীকৃতি অন্য শিক্ষকদেরও অনুপ্রাণিত করবে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে এ ধরনের মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
শিক্ষকরা জানান, এই সম্মাননা তাঁদের দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দেবে এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে উৎসাহ জোগাবে।
প্রতিবেদকের নাম 


















