
সংবাদ আজকাল ডেস্ক: সম্প্রতি বগুড়া-কে নবগঠিত সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্দীপনা ও প্রত্যাশার আবহ। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই নতুন সিটি করপোরেশনের জন্য প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হবে। এ ঘোষণার পর থেকেই সম্ভাব্য প্রশাসক নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো: হামিদুল হক চৌধুরী হিরু। স্থানীয়দের মতে, তিনি দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, সৎ ও ক্লিন ইমেজের একজন রাজনৈতিক নেতা, যিনি দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, চার দশকেরও বেশি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে হিরুর। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে একাধিক মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, কঠিন সময়ে বিপদগ্রস্ত নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে আইনি সহায়তা ও আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। এ কারণে তৃণমূল পর্যায়ে তার প্রতি রয়েছে গভীর আস্থা ও ভালোবাসা।
জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং বগুড়া শহর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সংগঠনকে শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। বিশেষ করে বগুড়ায় প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে ‘মাটি ও মানুষের নেতা’ হিসেবে তার পরিচিতি গড়ে উঠেছে।
নবগঠিত সিটি করপোরেশনের সামনে রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ—যানজট নিরসন, আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, বেকারত্ব সমস্যা মোকাবিলা এবং টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা। সচেতন মহলের মতে, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজন অভিজ্ঞ ও বাস্তবমুখী নেতৃত্ব।
এ প্রেক্ষাপটে অনেকেই মনে করছেন, হিরুকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে শহরকে আরও পরিষ্কার, নিরাপদ ও বাসযোগ্য করে তোলা, অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসবে।
নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এমন একজন প্রশাসক প্রত্যাশা করছেন, যিনি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকবেন। অনেকেই বলেন, “দলের দুঃসময়ে যিনি পাশে ছিলেন, জনগণের প্রয়োজনে তিনিই সবচেয়ে বেশি কাজ করতে পারবেন।”
তবে প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। ফলে কে হচ্ছেন নবগঠিত সিটি করপোরেশনের প্রথম প্রশাসক—সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে বগুড়াবাসী।
প্রতিবেদকের নাম 
















