
সংবাদ আজকাল ডেস্ক: ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনার স্মরণে এবং নিহতদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির।
মঙ্গলবার (৫ই মে) সন্ধ্যায় শাখা ছাত্রশিবিরের মানবাধিকার বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এসময় শাখা ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এবিষয়ে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, “ঐতিহাসিক ৫ মে—দিনটিকে আমরা শাপলা গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করে থাকি। দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ২০১৩ সালের এই দিনে যে নৃশংসতা হয়েছিল, সেই গণহত্যার মাধ্যমেই ফ্যাসিবাদের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছিল। গণহত্যা করার পর যখন সরকার টিকে গিয়েছিল, তখন থেকেই তারা বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়নের রাজনীতি শুরু করে।”
তিনি বলেন, “আজকে আমরা এই দিন উপলক্ষে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করছি—এর উদ্দেশ্য হলো, যারা এখন ক্ষমতায় এসেছে তাদের এই কাজগুলো (প্রচার) করা উচিত ছিল, বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে তা প্রচার করার কথা ছিল, কিন্তু তারা করেনি। এখানে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, যেন ৫ মে—এর গণহত্যার কথা মানুষ ভুলে যায়। এই দিবসটিকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আমরা প্রচারের বিষয়টি চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করেছি।
তিনি আরও বলেন, “ওই ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে মিডিয়াগুলো। সেদিন মিডিয়াগুলো যদি বন্ধ করে দেওয়া না হতো এবং মিডিয়া যদি নীরব না থাকত, তবে এত বড় গণহত্যা সংঘটিত হতে পারত না। আমরা দেখছি মিডিয়াগুলো এখনো একপাক্ষিক কাজ করে যাচ্ছে। যে বিষয়টি আমরা নির্বাচনের মধ্যেও দেখেছি, একপাক্ষিক প্রচারের মাধ্যমে নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। আমরা মিডিয়াগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি—তারা যেন সরকারের গোলামি থেকে বেরিয়ে আসে। সেই সাথে ৫ মে গণহত্যার সাথে যারা জড়িত, সেই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
প্রতিবেদকের নাম 
















