
সংবাদ আজকাল নিউজঃ গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে মহানগরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বগুড়া সিটি করপোরেশন বাস্তবায়ন করেছে সরকার। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত বগুড়া এখন আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি করপোরেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। নবগঠিত এই সিটি করপোরেশনের প্রথম পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বগুড়া জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এম আর ইসলাম স্বাধীন।
সোমবার (১৮ মে) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ (সিটি করপোরেশন-১ শাখা) থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ অনুযায়ী বগুড়া নগরের মালতীনগর এলাকার বাসিন্দা এম আর ইসলাম স্বাধীনকে বগুড়া সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।
নিয়োগ পাওয়ার পর মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে প্রশাসক পদে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন এম আর ইসলাম স্বাধীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসান স্বাক্ষরিত সরকারি গেজেটে বগুড়াকে সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমান বগুড়া পৌরসভা ছাড়াও সদর ও শাজাহানপুর উপজেলার সম্প্রসারিত ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা নিয়ে এই সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফুলবাড়ী, নিশিন্দারা, কাটনারপাড়া, সুত্রাপুর, মালগ্রাম, ঠনঠনিয়া, মালতীনগর, ফুলদিঘী ও বেতগাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকা। মোট ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হয়েছে নতুন এই সিটি করপোরেশন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেন, “আমি বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকেও ধন্যবাদ জানাই। সকলকে সঙ্গে নিয়ে বগুড়া সিটি করপোরেশনকে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবো।
বগুড়াকে সিটি করপোরেশন ঘোষণা এবং প্রথম প্রশাসক নিয়োগের খবরে নগরবাসীর মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে নবগঠিত এই সিটি করপোরেশনকে পূর্ণাঙ্গ ও পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তোলা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণই হবে প্রশাসকের প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
প্রতিবেদকের নাম 


















