Dhaka ০৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোনাতলায় ৩০০ টাকা হারানোকে কেন্দ্র করে মারধর, নিহত ১ পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি বগুড়া মহানগর ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক কবির হোসেন মিলন সোনাতলায় প্রবাসীর স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা, প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা সোনাতলা মহিলা কলেজে ছাত্রীদের মাঝে দুই শতাধিক গাছের চারা বিতরণ সোনাতলায় ৩৫ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেপ্তার, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিও আটক সোনাতলায় উন্নয়নের ছোঁয়া, গোপাই শাহবাজপুরে সড়কের সিসি ঢালাই উদ্বোধন সারিয়াকান্দিতে ছাত্রদলের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন সোনাতলায় পুলিশের পৃথক অভিযানে মাদকসহ যুবক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট শুরু, ভোটার ৩৪৯ সংসদ সদস্য

নরসিংদীতে শিশু হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

সংবাদ আজকাল ডেস্ক: নরসিংদীর পলাশে পায়ুপথে ও মুখে বাতাস ঢুকিয়ে ৯ বছরের শিশু রামিমকে হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি সবুজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) ভোরে জেলা শহরের আরশীনগর ও রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সবুজ মিয়া (২৭) পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের চরকারারদী গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই সবুজ আত্মগোপনে ছিল। গোপনে অন্যত্র পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানান, গ্রেপ্তারকৃত সবুজকে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে গত ৬ মে পলাশ উপজেলার গজারিয়া বাজার এলাকায় মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, রামিম নামে ওই শিশুকে জোরপূর্বক একটি রিকশার গ্যারেজে নিয়ে যায় সবুজ, ফয়সাল, শিশির ও বাবু নামে চার যুবক। সেখানে হাওয়ার মেশিন দিয়ে শিশুটির পায়ুপথ ও মুখে বাতাস ঢুকানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

এতে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

ঘটনার পর নিহত শিশুর বাবা রিপন মিয়া বাদী হয়ে পলাশ থানায় চার যুবকের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক ছিলো।

এ ঘটনায় শিশুর পরিবারের দাবি, জড়িত সকল আসামির দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সোনাতলায় ৩০০ টাকা হারানোকে কেন্দ্র করে মারধর, নিহত ১

নরসিংদীতে শিশু হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আপডেটের সময়: ০৮:০৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

সংবাদ আজকাল ডেস্ক: নরসিংদীর পলাশে পায়ুপথে ও মুখে বাতাস ঢুকিয়ে ৯ বছরের শিশু রামিমকে হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি সবুজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) ভোরে জেলা শহরের আরশীনগর ও রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সবুজ মিয়া (২৭) পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের চরকারারদী গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই সবুজ আত্মগোপনে ছিল। গোপনে অন্যত্র পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানান, গ্রেপ্তারকৃত সবুজকে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে গত ৬ মে পলাশ উপজেলার গজারিয়া বাজার এলাকায় মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, রামিম নামে ওই শিশুকে জোরপূর্বক একটি রিকশার গ্যারেজে নিয়ে যায় সবুজ, ফয়সাল, শিশির ও বাবু নামে চার যুবক। সেখানে হাওয়ার মেশিন দিয়ে শিশুটির পায়ুপথ ও মুখে বাতাস ঢুকানো হয়।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

এতে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

ঘটনার পর নিহত শিশুর বাবা রিপন মিয়া বাদী হয়ে পলাশ থানায় চার যুবকের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই অভিযুক্তরা পলাতক ছিলো।

এ ঘটনায় শিশুর পরিবারের দাবি, জড়িত সকল আসামির দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।