Dhaka ০৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোনাতলায় ৩০০ টাকা হারানোকে কেন্দ্র করে মারধর, নিহত ১ পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি বগুড়া মহানগর ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক কবির হোসেন মিলন সোনাতলায় প্রবাসীর স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা, প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা সোনাতলা মহিলা কলেজে ছাত্রীদের মাঝে দুই শতাধিক গাছের চারা বিতরণ সোনাতলায় ৩৫ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেপ্তার, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিও আটক সোনাতলায় উন্নয়নের ছোঁয়া, গোপাই শাহবাজপুরে সড়কের সিসি ঢালাই উদ্বোধন সারিয়াকান্দিতে ছাত্রদলের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন সোনাতলায় পুলিশের পৃথক অভিযানে মাদকসহ যুবক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট শুরু, ভোটার ৩৪৯ সংসদ সদস্য

খাগড়াছড়ির রামগড়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বিরোধী অভিযানে হামলা, ইউএনও-ওসিসহ আহত ১৫

সংবাদ আজকাল নিউজ: খাগড়াছড়ির রামগড়ে অবৈধভাবে ছড়া থেকে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শামীম এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলমসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা রাবার বুলেট ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে উপজেলার রামগড় ইউনিয়নের পূর্ববলিপাড়া ও দক্ষিণ লামকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইউএনও’র নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্য এপিসি মো. সালাহ উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ-১, নুর মোহাম্মদ-২ ও খোরশেদ আলম, ইউএনও অফিসের স্টাফ আব্দুল ওহাব জুয়েল, ইউএনও’র ড্রাইভার কামাল উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের স্টাফ হারুন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্টাফ জয়নাল আবেদীন এবং পৌরসভার স্টাফ সিহাব উদ্দিন।
এছাড়া গ্রামবাসীর মধ্যে নুর হোসেন, সুমন ত্রিপুরা, আজাদ ও আবুল হাসান রাবার বুলেটে আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শামীম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কিছু লোক অভিযানে বাধা দেয় এবং পরে এক থেকে দেড়শ জনের একটি দল ইটপাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি নিজেসহ ১১ জন আহত হন।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় প্রায় ১০টি স্থানে পাম্প মেশিন ব্যবহার করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল।

রামগড় থানার ওসি মো. নাজির আলম বলেন, শতাধিক নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে প্রশাসনের ওপর হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ পাঁচটি ফাঁকা গুলি এবং আনসার সদস্যরা পাঁচটি রাবার বুলেট ছোড়ে।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

অন্যদিকে, গ্রামবাসীর অভিযোগ, প্রশাসন কৃষকদের জমিতে সেচের কাজে ব্যবহৃত পাম্প ভাঙচুর করেছে। আহত দেলোয়ার, সুমন ও নুর হোসেন দাবি করেন, খালের পাড়ে রাখা চারটি সেচ পাম্প ভেঙে ফেলা হলে গ্রামবাসী বাধা দেয়। এরপর প্রশাসন গুলি ছোড়ে।
কৃষক ফারুক অভিযোগ করেন, তার একটি সেচ পাম্প ভেঙে ফেলা হয়েছে। একই অভিযোগ করেছেন কিবরিয়া ও বশর নামের আরও দুই কৃষক।

তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম কৃষকদের সেচ পাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সোনাতলায় ৩০০ টাকা হারানোকে কেন্দ্র করে মারধর, নিহত ১

খাগড়াছড়ির রামগড়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বিরোধী অভিযানে হামলা, ইউএনও-ওসিসহ আহত ১৫

আপডেটের সময়: ১২:৩৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

সংবাদ আজকাল নিউজ: খাগড়াছড়ির রামগড়ে অবৈধভাবে ছড়া থেকে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শামীম এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলমসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা রাবার বুলেট ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে উপজেলার রামগড় ইউনিয়নের পূর্ববলিপাড়া ও দক্ষিণ লামকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইউএনও’র নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্য এপিসি মো. সালাহ উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ-১, নুর মোহাম্মদ-২ ও খোরশেদ আলম, ইউএনও অফিসের স্টাফ আব্দুল ওহাব জুয়েল, ইউএনও’র ড্রাইভার কামাল উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের স্টাফ হারুন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্টাফ জয়নাল আবেদীন এবং পৌরসভার স্টাফ সিহাব উদ্দিন।
এছাড়া গ্রামবাসীর মধ্যে নুর হোসেন, সুমন ত্রিপুরা, আজাদ ও আবুল হাসান রাবার বুলেটে আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শামীম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কিছু লোক অভিযানে বাধা দেয় এবং পরে এক থেকে দেড়শ জনের একটি দল ইটপাটকেল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি নিজেসহ ১১ জন আহত হন।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় প্রায় ১০টি স্থানে পাম্প মেশিন ব্যবহার করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল।

রামগড় থানার ওসি মো. নাজির আলম বলেন, শতাধিক নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে প্রশাসনের ওপর হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ পাঁচটি ফাঁকা গুলি এবং আনসার সদস্যরা পাঁচটি রাবার বুলেট ছোড়ে।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

অন্যদিকে, গ্রামবাসীর অভিযোগ, প্রশাসন কৃষকদের জমিতে সেচের কাজে ব্যবহৃত পাম্প ভাঙচুর করেছে। আহত দেলোয়ার, সুমন ও নুর হোসেন দাবি করেন, খালের পাড়ে রাখা চারটি সেচ পাম্প ভেঙে ফেলা হলে গ্রামবাসী বাধা দেয়। এরপর প্রশাসন গুলি ছোড়ে।
কৃষক ফারুক অভিযোগ করেন, তার একটি সেচ পাম্প ভেঙে ফেলা হয়েছে। একই অভিযোগ করেছেন কিবরিয়া ও বশর নামের আরও দুই কৃষক।

তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম কৃষকদের সেচ পাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।