Dhaka ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পার্বতীপুরে জমি-জমা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৩ সোনাতলায় সড়ক দখলমুক্ত করতে অভিযান, মণ্ডল হোটেলকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা মিঠাপুকুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা অভিযান মধ্যনগরে অনুমতি ছাড়াই দুই ড্রেজারে বালু উত্তোলনের অভিযোগ নন্দীগ্রামে কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর, দানবাক্সের টাকা ও পূজার সামগ্রী চুরি স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণায় নিজের ছবি ব্যবহার না করার অনুরোধ এমপি কাজী রফিকুল ইসলামের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারে গাফিলতির অভিযোগ, এসআই প্রত্যাহার পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশনে ৫ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার সোনাতলায় জমি বিরোধে হামলা, কুপিয়ে জখম ও ৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ পার্বতীপুরে গৃহবধূকে শাবল দিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেফতার

মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এ জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে মাদকের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি উদ্যানে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই ধ্বংস করে না; এটি পরিবার, সমাজ এবং দেশের অর্থনীতির ওপরও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সাম্প্রতিক এক গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, দেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ কোনো না কোনোভাবে মাদক গ্রহণ করছেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

তিনি বলেন, উদ্বেগের বিষয় হলো মাদক পাচারকারী চক্র এখন প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এনক্রিপটেড যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে তারা তরুণদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। এই বাস্তবতায় মাদকের অপব্যবহার রোধে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং সেই নীতির আওতায় ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি সরকার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মাদক প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। মাদকের চাহিদা কমানো গেলে উৎপাদন ও পাচারও স্বাভাবিকভাবেই হ্রাস পাবে। এ লক্ষ্যে বিলবোর্ড, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার মানোন্নয়নেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

পার্বতীপুরে জমি-জমা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৩

মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেটের সময়: ০১:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এ জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে মাদকের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি উদ্যানে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই ধ্বংস করে না; এটি পরিবার, সমাজ এবং দেশের অর্থনীতির ওপরও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সাম্প্রতিক এক গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, দেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ কোনো না কোনোভাবে মাদক গ্রহণ করছেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

তিনি বলেন, উদ্বেগের বিষয় হলো মাদক পাচারকারী চক্র এখন প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এনক্রিপটেড যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে তারা তরুণদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। এই বাস্তবতায় মাদকের অপব্যবহার রোধে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে এবং সেই নীতির আওতায় ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি সরকার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মাদক প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। মাদকের চাহিদা কমানো গেলে উৎপাদন ও পাচারও স্বাভাবিকভাবেই হ্রাস পাবে। এ লক্ষ্যে বিলবোর্ড, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার মানোন্নয়নেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।