Dhaka ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু সোনাতলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৪১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত আসামি গ্রেপ্তার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপসহ মালামাল চুরি, সাঘাটায় সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার সোনাতলায় বার্মিজ টিপ চাকুসহ যুবক আটক সোনাতলায় ৩৫ পিস টেপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেপ্তার সোনাতলায় আদালতে বিচারাধীন জমিতে ৮০ গাছ কাটার অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ৪৮ ঘণ্টা পর মায়ের কোলে ফিরল ৪ মাসের শিশু মাহিন আনাস সোনাতলায় সাংবাদিক সম্মেলনে করা অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি, সাইফুলের প্রতিবাদ সোনাতলায় চাঁদা দাবির অভিযোগে দোকান ভাঙচুর, টাকা লুট ও বাড়িতে হামলার অভিযোগ সোনাতলায় বিএনপির পার্টি অফিস পোড়ানোর মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:৪০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০ সময় দেখুন

সংবাদ আজকাল ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সম্ভাব্য রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে ডিসেম্বরের আগেই দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গত এক মাসে সারা দেশে প্রায় ৫৩ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চলতি মাসের প্রথম ছয় দিনেই গ্রেপ্তার হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। রাজধানী ঢাকায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০০ জনকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এর মধ্যে বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ৪৬৫ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে রয়েছেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন খান জ্যোতি, পঞ্চগড়-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা, তজুমদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ফরিদুল তালুকদার এবং সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ধুবিল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম ভোলা।

এ ছাড়া সাটুরিয়ার বরাইদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ রুহুল আমিন, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের রেনু মিয়া, রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক মাজেদুর রহমান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আব্দুল বারিক এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সরকারসহ আরও অনেক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন।

আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে দুদফায় ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা দেন শেখ হাসিনা। তার এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ধরনের বিশ্লেষণ রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার ও মামলার ঝুঁকি থাকায় শেখ হাসিনার এ ঘোষণা দলীয় নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙা রাখার কৌশল হতে পারে। তাদের মতে, তার দেশে ফেরার বিষয়টি ভারত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যস্থতার ওপরও নির্ভর করতে পারে।

অন্যদিকে আরেকটি অংশের ধারণা, শেখ হাসিনাকে দীর্ঘদিন আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি ভারতের জন্যও চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে নিরাপত্তা ও আইনি নিশ্চয়তার মতো বিষয়কে সামনে রেখে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বন্দোবস্তের মাধ্যমে তাকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ঘোষণাকে শুধু মনস্তাত্ত্বিক কৌশল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। রাজনৈতিক পুনর্বাসন এবং দেশে ফিরে শেষ জীবন কাটানোর আকাঙ্ক্ষাও এর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীরা উপযুক্ত সময়ে মাঠে নেমে পড়লে শুধু সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাপক গ্রেপ্তারের ফলে কারাগারগুলোর ধারণক্ষমতা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দেশের কারাগারগুলোর মোট ধারণক্ষমতা প্রায় ৪৫ হাজার হলেও সেখানে গড়ে প্রায় এক লাখ বন্দি থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, সমঝোতা ছাড়াই শেখ হাসিনার দেশে ফেরার চেষ্টা এবং তা প্রতিরোধের পরিস্থিতি তৈরি হলে রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে। তার মতে, শুধু পুলিশি শক্তি প্রয়োগ বা গণগ্রেপ্তারের মাধ্যমে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মূল উসকানিদাতাদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। অন্যথায় কারাগারে অতিরিক্ত বন্দির চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক অতিরিক্ত আইজিপির বরাতে জানা গেছে, আত্মগোপনে থেকে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনাকারীদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ডিসেম্বরের আগেই তাদের আইনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও উসকানিমূলক প্রচারণা ঠেকাতে সাইবার পুলিশ ইউনিটগুলোও নজরদারি বাড়িয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ বলেছেন, ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা জনজীবন অস্থিতিশীল করার চেষ্টা বরদাশত করা হবে না।

বুধবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কঠোরভাবে প্রতিহত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলকে পুনরায় সক্রিয় হতে দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু

সারা দেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু

আপডেটের সময়: ১০:৪০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

সংবাদ আজকাল ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সম্ভাব্য রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে ডিসেম্বরের আগেই দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গত এক মাসে সারা দেশে প্রায় ৫৩ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চলতি মাসের প্রথম ছয় দিনেই গ্রেপ্তার হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। রাজধানী ঢাকায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০০ জনকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এর মধ্যে বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ৪৬৫ জনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে রয়েছেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন খান জ্যোতি, পঞ্চগড়-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা, তজুমদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ফরিদুল তালুকদার এবং সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ধুবিল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম ভোলা।

এ ছাড়া সাটুরিয়ার বরাইদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ রুহুল আমিন, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের রেনু মিয়া, রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক মাজেদুর রহমান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আব্দুল বারিক এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সরকারসহ আরও অনেক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন।

আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে দুদফায় ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা দেন শেখ হাসিনা। তার এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ধরনের বিশ্লেষণ রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার ও মামলার ঝুঁকি থাকায় শেখ হাসিনার এ ঘোষণা দলীয় নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙা রাখার কৌশল হতে পারে। তাদের মতে, তার দেশে ফেরার বিষয়টি ভারত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যস্থতার ওপরও নির্ভর করতে পারে।

অন্যদিকে আরেকটি অংশের ধারণা, শেখ হাসিনাকে দীর্ঘদিন আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি ভারতের জন্যও চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে নিরাপত্তা ও আইনি নিশ্চয়তার মতো বিষয়কে সামনে রেখে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বন্দোবস্তের মাধ্যমে তাকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ঘোষণাকে শুধু মনস্তাত্ত্বিক কৌশল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। রাজনৈতিক পুনর্বাসন এবং দেশে ফিরে শেষ জীবন কাটানোর আকাঙ্ক্ষাও এর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীরা উপযুক্ত সময়ে মাঠে নেমে পড়লে শুধু সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাপক গ্রেপ্তারের ফলে কারাগারগুলোর ধারণক্ষমতা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দেশের কারাগারগুলোর মোট ধারণক্ষমতা প্রায় ৪৫ হাজার হলেও সেখানে গড়ে প্রায় এক লাখ বন্দি থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, সমঝোতা ছাড়াই শেখ হাসিনার দেশে ফেরার চেষ্টা এবং তা প্রতিরোধের পরিস্থিতি তৈরি হলে রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে। তার মতে, শুধু পুলিশি শক্তি প্রয়োগ বা গণগ্রেপ্তারের মাধ্যমে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মূল উসকানিদাতাদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। অন্যথায় কারাগারে অতিরিক্ত বন্দির চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক অতিরিক্ত আইজিপির বরাতে জানা গেছে, আত্মগোপনে থেকে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনাকারীদের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ডিসেম্বরের আগেই তাদের আইনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও উসকানিমূলক প্রচারণা ঠেকাতে সাইবার পুলিশ ইউনিটগুলোও নজরদারি বাড়িয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দীন আহমদ বলেছেন, ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা জনজীবন অস্থিতিশীল করার চেষ্টা বরদাশত করা হবে না।

বুধবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কঠোরভাবে প্রতিহত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলকে পুনরায় সক্রিয় হতে দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান।