Dhaka ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামে সেতু ধসে প্রাণহানি নিহত ১, গুরুতর আহত ৫, দুর্ভোগে অর্ধলাখ মানুষ সোনাতলায় মা-মেয়েকে মারধর করে গরু বিক্রির ২ লাখ টাকা ও মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ আধুনিক মহানগর গড়তে বগুড়ায় একগুচ্ছ উন্নয়ন পরিকল্পনার ঘোষণা, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এআই যুগে ফ্যাক্ট-চেকিং দক্ষতা জরুরি, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ,কে,এম আহসানুল তৈয়ব জাকির জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হলেন মানিকগঞ্জের ৬ শিক্ষক বগুড়ায় জেলা পুলিশের আয়োজনে নৈশভোজ, উপস্থিত আইজিপিসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা জেলা পরিষদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উন্নয়নের কথা বললেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক জাকির মাদক কারবারের অভিযোগে বগুড়ায় দুই পুলিশ সদস্য আটক সোনাতলায় সরকারিভাবে বোরো ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন সচিবের স্বাক্ষর ছাড়াই ফাইল পাসের অভিযোগ, সাবেক উপদেষ্টা আসিফের বিরুদ্ধে তদন্ত, বললেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।” ছাত্রী সংস্থা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস হামলা ও প্রক্টরকে লাঞ্চিত করার ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। গত (৩১ আগস্ট ২০২৫) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী মুনজিয়া ও সেক্রেটারি জেনারেল উম্মে আরওয়া বলেন,
“এই সহিংস ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চরম নিরাপত্তাহীনতার বহিঃপ্রকাশ এবং প্রশাসনের অকার্যকারিতার চাক্ষুষ প্রমাণ।”

নেত্রীবৃন্দ বলেন, “শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞান অর্জনের জন্য, কিন্তু চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।”
নেত্রীবৃন্দ আরও বলেন, “ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ব্যর্থতা চরমে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মেরুদণ্ডহীনতার পরিচয় দিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ”

আরও পড়ুনঃ  ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৬ জুন পর্যন্ত বন্ধ সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

বিবৃতিতে নেত্রীবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরবে, প্রক্টর পর্যন্ত নিরাপদ থাকবেন না—এটি পুরো দেশের জন্য কলঙ্কজনক। পুরো ঘটনার পেছনে উস্কানীদাতাদের এবং হামলাকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ, প্রশাসনের জবাবদিহিতা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্র ও প্রশাসন উভয়ের দায়িত্ব। আমরা আশা করি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্য কোন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা আর কখনো এমন রক্তাক্ত নৈরাজ্যের শিকার হবে না এবং তাদের নিরাপদ পরিবেশে অধ্যয়ন করার পূর্ণ নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৬ জুন পর্যন্ত বন্ধ সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

মায়াসসালাম,
রিনতাহা তারান্নুম
প্রচার বিভাগীয় সম্পাদিকা
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা
প্রতিবেদক: মোহাম্মদ জাকির হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার সুরমা দর্পণ।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

কুড়িগ্রামে সেতু ধসে প্রাণহানি নিহত ১, গুরুতর আহত ৫, দুর্ভোগে অর্ধলাখ মানুষ

চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।” ছাত্রী সংস্থা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা

আপডেটের সময়: ০৯:১৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস হামলা ও প্রক্টরকে লাঞ্চিত করার ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। গত (৩১ আগস্ট ২০২৫) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী মুনজিয়া ও সেক্রেটারি জেনারেল উম্মে আরওয়া বলেন,
“এই সহিংস ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চরম নিরাপত্তাহীনতার বহিঃপ্রকাশ এবং প্রশাসনের অকার্যকারিতার চাক্ষুষ প্রমাণ।”

নেত্রীবৃন্দ বলেন, “শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞান অর্জনের জন্য, কিন্তু চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।”
নেত্রীবৃন্দ আরও বলেন, “ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ব্যর্থতা চরমে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মেরুদণ্ডহীনতার পরিচয় দিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ”

আরও পড়ুনঃ  ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৬ জুন পর্যন্ত বন্ধ সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

বিবৃতিতে নেত্রীবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরবে, প্রক্টর পর্যন্ত নিরাপদ থাকবেন না—এটি পুরো দেশের জন্য কলঙ্কজনক। পুরো ঘটনার পেছনে উস্কানীদাতাদের এবং হামলাকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ, প্রশাসনের জবাবদিহিতা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্র ও প্রশাসন উভয়ের দায়িত্ব। আমরা আশা করি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্য কোন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা আর কখনো এমন রক্তাক্ত নৈরাজ্যের শিকার হবে না এবং তাদের নিরাপদ পরিবেশে অধ্যয়ন করার পূর্ণ নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ  ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৬ জুন পর্যন্ত বন্ধ সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

মায়াসসালাম,
রিনতাহা তারান্নুম
প্রচার বিভাগীয় সম্পাদিকা
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা
প্রতিবেদক: মোহাম্মদ জাকির হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার সুরমা দর্পণ।