Dhaka ০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পার্বতীপুরে গৃহবধূকে শাবল দিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেফতার রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রাজশাহী রেলস্টেশনে ভাঙচুর বগুড়ায় ফিলিং স্টেশনের গ্যাস প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ, আহত ৫ সারিয়াকান্দিতে প্রাকৃতিক জলাশয়ে ২৮৬ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত নতুন পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা কত বাড়ল শর্তসাপেক্ষ রাজকীয় ক্ষমা পেলেন নাজিব রাজাক বগুড়ায় বায়তুর রহিম জামে মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন সোনাতলায় মাছের পোনা অবমুক্ত, কৃষি যন্ত্র ও ঢেউটিন-নগদ অর্থ বিতরণ সোনাতলায় ডোবা থেকে অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার, অটোরিকশা নিখোঁজ সোনাতলায় গৃহবধূকে ধর্ষণের মামলায় বাড়ির মালিক গ্রেপ্তার

পার্বতীপুরে গৃহবধূকে শাবল দিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেফতার

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৫৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ সময় দেখুন

মহসিন আলী, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ফাল্গুনী রানী (১৯) নামে এক গৃহবধূকে শাবল দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী কনক রায়ের (২৩) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ২ নম্বর মন্মথপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

নিহত ফাল্গুনী রানী নারায়ণপুর গ্রামের কনক রায়ের স্ত্রী। তাঁর বাবার নাম নবকান্ত রায় এবং মায়ের নাম বাসন্তী রানী। কনক রায়ের মায়ের নাম সরিষা রানী। নিহতের পাঁচ মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। শিশুটির নাম কণিকা রানী রায়।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, নারায়ণপুর গ্রামের মনসা মন্দিরের সামনে পূজা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ফাল্গুনী রানী ও তাঁর স্বামী কনক রায়ের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় কনক রায় শাবল দিয়ে ফাল্গুনী রানীকে আঘাত করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় ফাল্গুনীকে উদ্ধার করা হলেও পরে তাঁর মৃত্যু হয় বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। তবে ঠিক কীভাবে এবং কোথায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের তদন্তে বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসবে।

খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। মাত্র পাঁচ মাস বয়সী শিশুকন্যাকে রেখে ফাল্গুনী রানীর এমন মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্বামী কনক রায়কে গ্রেফতার করেছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে পূজা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধই মূল কারণ কি না, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো বিষয় রয়েছে—তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

নিহতের স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

পার্বতীপুরে গৃহবধূকে শাবল দিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেফতার

পার্বতীপুরে গৃহবধূকে শাবল দিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেফতার

আপডেটের সময়: ০৬:৫৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মহসিন আলী, পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ফাল্গুনী রানী (১৯) নামে এক গৃহবধূকে শাবল দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী কনক রায়ের (২৩) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ২ নম্বর মন্মথপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

নিহত ফাল্গুনী রানী নারায়ণপুর গ্রামের কনক রায়ের স্ত্রী। তাঁর বাবার নাম নবকান্ত রায় এবং মায়ের নাম বাসন্তী রানী। কনক রায়ের মায়ের নাম সরিষা রানী। নিহতের পাঁচ মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। শিশুটির নাম কণিকা রানী রায়।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, নারায়ণপুর গ্রামের মনসা মন্দিরের সামনে পূজা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ফাল্গুনী রানী ও তাঁর স্বামী কনক রায়ের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় কনক রায় শাবল দিয়ে ফাল্গুনী রানীকে আঘাত করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় ফাল্গুনীকে উদ্ধার করা হলেও পরে তাঁর মৃত্যু হয় বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। তবে ঠিক কীভাবে এবং কোথায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের তদন্তে বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসবে।

খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। মাত্র পাঁচ মাস বয়সী শিশুকন্যাকে রেখে ফাল্গুনী রানীর এমন মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্বামী কনক রায়কে গ্রেফতার করেছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে পূজা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধই মূল কারণ কি না, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো বিষয় রয়েছে—তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

নিহতের স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।