Dhaka ০১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নন্দীগ্রামের সবুজ প্রান্তরে শামুকখোল পাখির ঝাঁক, মুগ্ধ স্থানীয়রা বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ঠিকাদার কল্যান সমিতি ও মিনি ঠিকাদার কল্যান সমিতির যৌথ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে টানা বর্ষণে সর্বস্বান্ত তরুণ উদ্যোক্তা, নষ্ট ৩০০ পেঁপে গাছ পার্বতীপুরে পূবালী ব্যাংকের ৩ দিনব্যাপী ফ্রি ক্যাশলেস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন মাদক কারবার বন্ধের দাবিতে পার্বতীপুরে ইউএনও’র কাছে স্মারকলিপি প্রদান মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান এমপি কাজী রফিকুল ইসলামের পার্বতীপুরে মা-মেয়ে হত্যা, অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন সোনাতলায় প্রায় ৫ হাজার কৃষকের হাতে উঠছে কৃষিকার্ড, শুরু হয়েছে তালিকা প্রণয়নের কাজ পার্বতীপুরে পিতার শাবলের আঘাতে কিশোর নিহত, পিতা আটক বগুড়ায় কলোনি ব্যবসায়ী বণিক সমিতি গঠনে মতবিনিময় সভা, ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

কুড়িগ্রামে সেতু ধসে প্রাণহানি নিহত ১, গুরুতর আহত ৫, দুর্ভোগে অর্ধলাখ মানুষ

সংবাদ আজকাল নিউজ: কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সেতু ধসে পড়ে একজন নিহত এবং অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ২৪ মে ২০২৬ রোববার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ট্রাক্টর সেতুর ওপর উঠতেই মুহূর্তের মধ্যে সেটি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। এতে ট্রাক্টরে থাকা কয়েকজন নিচে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আহতদের প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পথে একজন মারা যান। আহত অপর পাঁচজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০০৩ সালে নির্মিত সেতুটি মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই ধসে পড়া এলজিইডির নিম্নমানের কাজেরই প্রমাণ। তারা দ্রুত সেতু নির্মাণে জড়িত ঠিকাদার ও তৎকালীন সংশ্লিষ্ট এলজিইডি কর্মকর্তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সেতুটি ধসে পড়ায় পাঁচগাছী, যাত্রাপুর ও বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের প্রায় অর্ধলাখ মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

পাঁচগাছী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন বলেন, “সেতুটি ভেঙে পড়ার পর বিষয়টি সদর ইউএনও মহোদয়কে জানিয়েছি। তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন, “সেতুটি আগেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। স্থানীয়দের ভারী যানবাহন চলাচল না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল। বর্তমানে সেখানে নতুন সেতুর প্রয়োজন নেই। বন্যা শেষে দ্রুত মাটির রাস্তা নির্মাণ করা হবে। আপৎকালীন যোগাযোগের জন্য আগামীকাল বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হবে।

এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত এবং বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

নন্দীগ্রামের সবুজ প্রান্তরে শামুকখোল পাখির ঝাঁক, মুগ্ধ স্থানীয়রা

কুড়িগ্রামে সেতু ধসে প্রাণহানি নিহত ১, গুরুতর আহত ৫, দুর্ভোগে অর্ধলাখ মানুষ

আপডেটের সময়: ০৩:০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

সংবাদ আজকাল নিউজ: কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সেতু ধসে পড়ে একজন নিহত এবং অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ২৪ মে ২০২৬ রোববার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ট্রাক্টর সেতুর ওপর উঠতেই মুহূর্তের মধ্যে সেটি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। এতে ট্রাক্টরে থাকা কয়েকজন নিচে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আহতদের প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পথে একজন মারা যান। আহত অপর পাঁচজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০০৩ সালে নির্মিত সেতুটি মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই ধসে পড়া এলজিইডির নিম্নমানের কাজেরই প্রমাণ। তারা দ্রুত সেতু নির্মাণে জড়িত ঠিকাদার ও তৎকালীন সংশ্লিষ্ট এলজিইডি কর্মকর্তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সেতুটি ধসে পড়ায় পাঁচগাছী, যাত্রাপুর ও বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের প্রায় অর্ধলাখ মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

পাঁচগাছী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন বলেন, “সেতুটি ভেঙে পড়ার পর বিষয়টি সদর ইউএনও মহোদয়কে জানিয়েছি। তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন, “সেতুটি আগেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। স্থানীয়দের ভারী যানবাহন চলাচল না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল। বর্তমানে সেখানে নতুন সেতুর প্রয়োজন নেই। বন্যা শেষে দ্রুত মাটির রাস্তা নির্মাণ করা হবে। আপৎকালীন যোগাযোগের জন্য আগামীকাল বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হবে।

এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত এবং বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।