Dhaka ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে বগুড়া বেকারী শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিবাদ এ কেমন নিষ্ঠুরতা! নরসিংদীতে দুই মাসের শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বগুড়ায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ বদলগাছীতে সিএনজি-মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, গুরুতর আহত দুই চালক সোনাতলায় জাতীয়তাবাদী অটো-রিক্সা ভ্যান শ্রমিক দলের ২১ সদস্যের কমিটি গঠন, সভাপতি মিলন ও সম্পাদক রায়হান জয়পুরহাট সীমান্তের শূন্য রেখা থেকে তিন বাংলাদেশি উধাও, বিজিবি-গ্রামবাসীর বক্তব্যে ভিন্নতা বন্যার্তদের পাশে গাজীপুর, ৫ এমপির এক মাসের বেতন, সরকারি কর্মচারীদের একদিনের বেতন ত্রাণ তহবিলে নন্দীগ্রামে নানা আয়োজনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, ৭ ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান নরসিংদীতে পরিচ্ছন্নকর্মী ববি বেগম হত্যা, পাঁচ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর টানা বৃষ্টিতে বাগেরহাটে বিপর্যস্ত জনজীবন, ক্ষতিগ্রস্ত ৭০২ হেক্টর ফসলি জমি

মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে বগুড়া বেকারী শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিবাদ

সংবাদ আজকাল ডেস্ক: বগুড়া বেকারী অ্যান্ড কনফেকশনারী শ্রমিক/কর্মচারী ইউনিয়ন (রেজি. নং-১৭০৫) বগুড়া ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট কনফেকশনারী মালিক সমিতির সভাপতির বক্তব্যকে “মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর” দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, গত ৫ জুলাই ২০২৬ সন্ধ্যা ৭টায় বগুড়ার স্থানীয় হোটেল মম-ইন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে মালিক সমিতির সভাপতি দাবি করেন, বগুড়া বেকারী অ্যান্ড কনফেকশনারী শ্রমিক/কর্মচারী ইউনিয়নের কোনো নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) নেই। ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এ বক্তব্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জয়পুরহাট সীমান্তের শূন্য রেখা থেকে তিন বাংলাদেশি উধাও, বিজিবি-গ্রামবাসীর বক্তব্যে ভিন্নতা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউনিয়নের নিবন্ধন নম্বর ১৭০৫ এবং এটি ১৯৯৮ সালের ২০ আগস্ট রাজশাহী বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নস থেকে নিবন্ধন লাভ করে। এরপর থেকে সংগঠনটি নিয়মিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

ইউনিয়নের দাবি, গত ৩ জুলাই ২০২৬ বগুড়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে যথাযথ প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে তাদের ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভা সম্পর্কেও মালিক সমিতির সভাপতি বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালে শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি, নিয়োগপত্র, সার্ভিস বুক, আট ঘণ্টা কর্মঘণ্টা এবং নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ ৮ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন শুরু হয়। সে সময় বিসিক শিল্প এলাকায় আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিরোধ নিষ্পত্তির পরিবর্তে পুলিশি হামলা, মামলা এবং শ্রমিক নেতা ও জ্যেষ্ঠ শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছে ইউনিয়ন।

আরও পড়ুনঃ  নরসিংদীতে পরিচ্ছন্নকর্মী ববি বেগম হত্যা, পাঁচ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

ইউনিয়নের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় দায়ের করা মামলায় ৭ জন শ্রমিক নেতা ও ২ জন জ্যেষ্ঠ শ্রমিক কারাবরণ করেন। এছাড়া ২৪ জন শ্রমিক এবং অজ্ঞাত আরও ৩০ জনকে আসামি করা হয়। একই সময়ে বগুড়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ২৪ জন নেতা-কর্মীসহ ৩০০ থেকে ৪০০ কার্ডধারী শ্রমিককে বিনা নোটিশে চাকরিচ্যুত করা হয়, যা শ্রম আইনের পরিপন্থী বলে দাবি করা হয়েছে। ইউনিয়নের অভিযোগ, ২০১৬ সালের পর থেকে অদ্যাবধি আরও প্রায় ৩০০ শ্রমিক চাকরিচ্যুত হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  বন্যার্তদের পাশে গাজীপুর, ৫ এমপির এক মাসের বেতন, সরকারি কর্মচারীদের একদিনের বেতন ত্রাণ তহবিলে

প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ মালিক সমিতির সভাপতির বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের “মিথ্যা তথ্য” প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তিতে দপ্তর সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষর করেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে বগুড়া বেকারী শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিবাদ

মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে বগুড়া বেকারী শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিবাদ

আপডেটের সময়: ০৮:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সংবাদ আজকাল ডেস্ক: বগুড়া বেকারী অ্যান্ড কনফেকশনারী শ্রমিক/কর্মচারী ইউনিয়ন (রেজি. নং-১৭০৫) বগুড়া ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট কনফেকশনারী মালিক সমিতির সভাপতির বক্তব্যকে “মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর” দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, গত ৫ জুলাই ২০২৬ সন্ধ্যা ৭টায় বগুড়ার স্থানীয় হোটেল মম-ইন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে মালিক সমিতির সভাপতি দাবি করেন, বগুড়া বেকারী অ্যান্ড কনফেকশনারী শ্রমিক/কর্মচারী ইউনিয়নের কোনো নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) নেই। ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এ বক্তব্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  জয়পুরহাট সীমান্তের শূন্য রেখা থেকে তিন বাংলাদেশি উধাও, বিজিবি-গ্রামবাসীর বক্তব্যে ভিন্নতা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউনিয়নের নিবন্ধন নম্বর ১৭০৫ এবং এটি ১৯৯৮ সালের ২০ আগস্ট রাজশাহী বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নস থেকে নিবন্ধন লাভ করে। এরপর থেকে সংগঠনটি নিয়মিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

ইউনিয়নের দাবি, গত ৩ জুলাই ২০২৬ বগুড়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে যথাযথ প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে তাদের ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভা সম্পর্কেও মালিক সমিতির সভাপতি বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালে শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি, নিয়োগপত্র, সার্ভিস বুক, আট ঘণ্টা কর্মঘণ্টা এবং নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ ৮ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন শুরু হয়। সে সময় বিসিক শিল্প এলাকায় আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিরোধ নিষ্পত্তির পরিবর্তে পুলিশি হামলা, মামলা এবং শ্রমিক নেতা ও জ্যেষ্ঠ শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছে ইউনিয়ন।

আরও পড়ুনঃ  নরসিংদীতে পরিচ্ছন্নকর্মী ববি বেগম হত্যা, পাঁচ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

ইউনিয়নের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় দায়ের করা মামলায় ৭ জন শ্রমিক নেতা ও ২ জন জ্যেষ্ঠ শ্রমিক কারাবরণ করেন। এছাড়া ২৪ জন শ্রমিক এবং অজ্ঞাত আরও ৩০ জনকে আসামি করা হয়। একই সময়ে বগুড়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ২৪ জন নেতা-কর্মীসহ ৩০০ থেকে ৪০০ কার্ডধারী শ্রমিককে বিনা নোটিশে চাকরিচ্যুত করা হয়, যা শ্রম আইনের পরিপন্থী বলে দাবি করা হয়েছে। ইউনিয়নের অভিযোগ, ২০১৬ সালের পর থেকে অদ্যাবধি আরও প্রায় ৩০০ শ্রমিক চাকরিচ্যুত হয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  টানা বৃষ্টিতে বাগেরহাটে বিপর্যস্ত জনজীবন, ক্ষতিগ্রস্ত ৭০২ হেক্টর ফসলি জমি

প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ মালিক সমিতির সভাপতির বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের “মিথ্যা তথ্য” প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। বিজ্ঞপ্তিতে দপ্তর সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষর করেন।