
সংবাদ আজকাল ডেস্ক : দীর্ঘ আট মাস ধরে বগুড়ার কাহালু উপজেলার ২৭টি কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ থাকায় ব্যাহত হচ্ছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা। ওষুধ না পেয়ে প্রতিদিনই রোগীরা ভিড় করছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সম্প্রতি প্রতিটি ক্লিনিকে মাত্র এক কার্টুন করে ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কাহালুর ৯টি ইউনিয়নে মোট ২৭টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এসব ক্লিনিকের মাধ্যমে গ্রামের সাধারণ মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা ও বিনামূল্যে ২২ ধরনের ওষুধ পেয়ে থাকেন। কিন্তু কেন্দ্রীয়ভাবে ওষুধ সরবরাহ না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে ক্লিনিকগুলোতে চরম সংকট চলছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা জানান, কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সেবা না পাওয়ায় রোগীদের উপজেলা সদর হাসপাতালে যেতে হচ্ছে। এতে দুর্ভোগ বাড়ছে বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের। গর্ভবতী নারী, প্রসূতি মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
কাহালু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, গত ৭ মে উপজেলার ২৭টি কমিউনিটি ক্লিনিকে এক কার্টুন করে ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে। প্রতিটি কার্টুনে রয়েছে ২০ ধরনের ওষুধ।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বিশেষ প্রশিক্ষণে জেলার বাইরে থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাশেদ বাপ্পি মঙ্গলবার দুপুরে জানান, প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য এক কার্টুন করে ওষুধ বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং তা ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। উপজেলার কাইট কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) হাফিজুর রহমান বলেন, “প্রতিটি ক্লিনিকে মাসে অন্তত এক কার্টুন ওষুধ প্রয়োজন হয়। সেখানে আট মাস পর মাত্র এক কার্টুন ওষুধ পাওয়া গেছে।
এদিকে, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীও বিতরণ করা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত নামমাত্র জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদকের নাম 



















