Dhaka ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোনাতলায় দুই দুর্গামন্দিরের স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে উপহার বিতরণ সোনাতলায় শিশু ইউসুফ হত্যা মামলায় মা গ্রেপ্তার, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি বগুড়ায় পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের জেলা কমিটিতে সোনাতলার আব্দুর রাজ্জাক রুবেল সোনাতলায় নিখোঁজের তিন দিন পর ধানক্ষেত থেকে শিশু ইউসুফের মরদেহ উদ্ধার যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তা চাঁদাবাজ-দখলদারদের যায়গা বিএনপিতে নেই মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় আজহারীর দোয়া, ওমরাহযাত্রীদের নিয়ে উদ্বেগ সারিয়াকান্দিতে পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ আটক ৩ বগুড়ায় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন বগুড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে শহীদ পরিবার সোসাইটির স্মরণসভা

বগুড়ায় নতুন সিটি করপোরেশন, প্রশাসক পদে ‘হিরু’কে ঘিরে প্রত্যাশার জোয়ার

সংবাদ আজকাল ডেস্ক: সম্প্রতি বগুড়া-কে নবগঠিত সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্দীপনা ও প্রত্যাশার আবহ। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই নতুন সিটি করপোরেশনের জন্য প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হবে। এ ঘোষণার পর থেকেই সম্ভাব্য প্রশাসক নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো: হামিদুল হক চৌধুরী হিরু। স্থানীয়দের মতে, তিনি দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, সৎ ও ক্লিন ইমেজের একজন রাজনৈতিক নেতা, যিনি দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় দুই দুর্গামন্দিরের স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে উপহার বিতরণ

স্থানীয় সূত্র জানায়, চার দশকেরও বেশি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে হিরুর। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে একাধিক মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, কঠিন সময়ে বিপদগ্রস্ত নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে আইনি সহায়তা ও আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। এ কারণে তৃণমূল পর্যায়ে তার প্রতি রয়েছে গভীর আস্থা ও ভালোবাসা।

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং বগুড়া শহর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সংগঠনকে শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। বিশেষ করে বগুড়ায় প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে ‘মাটি ও মানুষের নেতা’ হিসেবে তার পরিচিতি গড়ে উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের জেলা কমিটিতে সোনাতলার আব্দুর রাজ্জাক রুবেল

নবগঠিত সিটি করপোরেশনের সামনে রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ—যানজট নিরসন, আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, বেকারত্ব সমস্যা মোকাবিলা এবং টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা। সচেতন মহলের মতে, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজন অভিজ্ঞ ও বাস্তবমুখী নেতৃত্ব।

এ প্রেক্ষাপটে অনেকেই মনে করছেন, হিরুকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে শহরকে আরও পরিষ্কার, নিরাপদ ও বাসযোগ্য করে তোলা, অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসবে।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের জেলা কমিটিতে সোনাতলার আব্দুর রাজ্জাক রুবেল

নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এমন একজন প্রশাসক প্রত্যাশা করছেন, যিনি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকবেন। অনেকেই বলেন, “দলের দুঃসময়ে যিনি পাশে ছিলেন, জনগণের প্রয়োজনে তিনিই সবচেয়ে বেশি কাজ করতে পারবেন।”

তবে প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। ফলে কে হচ্ছেন নবগঠিত সিটি করপোরেশনের প্রথম প্রশাসক—সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে বগুড়াবাসী।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সোনাতলায় দুই দুর্গামন্দিরের স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে উপহার বিতরণ

বগুড়ায় নতুন সিটি করপোরেশন, প্রশাসক পদে ‘হিরু’কে ঘিরে প্রত্যাশার জোয়ার

আপডেটের সময়: ০৫:১০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

সংবাদ আজকাল ডেস্ক: সম্প্রতি বগুড়া-কে নবগঠিত সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্দীপনা ও প্রত্যাশার আবহ। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই নতুন সিটি করপোরেশনের জন্য প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হবে। এ ঘোষণার পর থেকেই সম্ভাব্য প্রশাসক নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো: হামিদুল হক চৌধুরী হিরু। স্থানীয়দের মতে, তিনি দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, সৎ ও ক্লিন ইমেজের একজন রাজনৈতিক নেতা, যিনি দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের জেলা কমিটিতে সোনাতলার আব্দুর রাজ্জাক রুবেল

স্থানীয় সূত্র জানায়, চার দশকেরও বেশি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে হিরুর। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে একাধিক মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, কঠিন সময়ে বিপদগ্রস্ত নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে আইনি সহায়তা ও আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। এ কারণে তৃণমূল পর্যায়ে তার প্রতি রয়েছে গভীর আস্থা ও ভালোবাসা।

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং বগুড়া শহর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সংগঠনকে শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। বিশেষ করে বগুড়ায় প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যায়ে ‘মাটি ও মানুষের নেতা’ হিসেবে তার পরিচিতি গড়ে উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় দুই দুর্গামন্দিরের স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে উপহার বিতরণ

নবগঠিত সিটি করপোরেশনের সামনে রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ—যানজট নিরসন, আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, বেকারত্ব সমস্যা মোকাবিলা এবং টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা। সচেতন মহলের মতে, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজন অভিজ্ঞ ও বাস্তবমুখী নেতৃত্ব।

এ প্রেক্ষাপটে অনেকেই মনে করছেন, হিরুকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলে শহরকে আরও পরিষ্কার, নিরাপদ ও বাসযোগ্য করে তোলা, অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসবে।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় দুই দুর্গামন্দিরের স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে উপহার বিতরণ

নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা এমন একজন প্রশাসক প্রত্যাশা করছেন, যিনি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকবেন। অনেকেই বলেন, “দলের দুঃসময়ে যিনি পাশে ছিলেন, জনগণের প্রয়োজনে তিনিই সবচেয়ে বেশি কাজ করতে পারবেন।”

তবে প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। ফলে কে হচ্ছেন নবগঠিত সিটি করপোরেশনের প্রথম প্রশাসক—সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে বগুড়াবাসী।