Dhaka ১১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
রোযা রাখার ব্যাপারে হাদিস শরীফ,আমরা নবীজির জন্মের দিন ১২ ই রবিউল আওয়াল যদি সোমবার পড়ে তাহলে রোযা রাখতে পারি।

প্রিয়নবী সাঃ এর মুবারাক জন্ম উপলক্ষে আমরা যেসব মুস্তাহাব আমল করতে পারি।

.

নবী পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুবারাক জন্ম উপলক্ষে আমরা যেসব মুস্তাহাব আমল করতে পারি। -জাকির হোসেন হানাফি-

১।রাহমাতুল্লিল আলামিনের আগমনের দিনে আমরা,
*১২ ই রবিউল আওয়াল এই বছর সোমবার হলে রোযা রাখতে পারি
*সাদাকাহ
*কুরআন তিলাওয়াত
*নবীজির পবিত্র মিলাদ শরীফের আলোচনা
*সিরাত আলোচনা করতে পারি
সর্বোপরি এগুলোর মাধ্যমে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করতে পারি।
কারণ,আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা বলেছেন,

‎ قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِکَ فَلْیَفْرَحُوْا ؕ هُوَ خَیْرٌ مِّمَّا
‎یَجْمَعُوْنَ ﴿سورة يونوس-۵۸﴾

(হে নবী!) আপনি বলুন,এসব আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর রহমতেই হয়েছে।সুতরাং এতে তাদের আনন্দিত হওয়া উচিত।তারা যা-কিছু পুঞ্জীভূত করে,তা অপেক্ষা এটা শ্রেয়! (সুরা ইউনুস-৫৮)
এখানে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে কোন ফাদ্বল ও রাহামহ আসলে তাতে খুশি বা আনন্দ প্রকাশ করার কথা বলা হয়েছে।আর আমাদের নবীজি হচ্ছেন কুল আলমের রাহমাহ,তাই উনার আগমনের দিন আমরা শারীয়াহ সম্মত খুশি জাহির করতে পারি।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় ফিলিং স্টেশনের গ্যাস প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ, আহত ৫

ঈদ নামাযের সাথে বা দুই ঈদের সাথে সম্পৃক্ত তা শুধু নয়,এটি একটি শব্দ যা দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করার কথা বুঝানোও হয়।
যেমন,আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ হযরত ঈসা নবী আলাহিস সালামের দুআ তুলে ধরেছেন,

‎ قَالَ عِیْسَی ابْنُ مَرْیَمَ اللّٰهُمَّ رَبَّنَاۤ اَنْزِلْ عَلَیْنَا مَآئِدَۃً مِّنَ السَّمَآءِ تَكُوْنُ لَنَا عِیْدًا لِّاَوَّلِنَا وَاٰخِرِنَا وَ اٰیَۃً مِّنْکَ ۚ وَارْزُقْنَا وَاَنْتَ خَیْرُ الرّٰزِقِیْنَ ﴿ سورة الماءدة -۱۱۴﴾

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় বায়তুর রহিম জামে মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

(সুতরাং) ঈসা ইবনে মারইয়াম বললেন,হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য আসমান থেকে একটি খাঞ্চা অবতীর্ণ করুন,যা হবে আমাদের এবং আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য আনন্দ উদযাপনের কারণ এবং আপনার পক্ষ হতে একটি নিদর্শন। আমাদেরকে (এ নি‘আমত) অবশ্যই প্রদান করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা।
( সুরা মায়িদাহ-১১৪)

✍️রোযা রাখার ব্যাপারে হাদিস শরীফ,আমরা নবীজির জন্মের দিন ১২ ই রবিউল আওয়াল যদি সোমবার পড়ে তাহলে রোযা রাখতে পারি।
‎عَنْ أَبِي قَتَادَةَ الْأَنْصَارِيِّ رَضِيَ اللَّهُ
‎ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنْ صَوْمِ الِاثْنَيْنِ فَقَالَ : ( فِيهِ وُلِدْتُ وَفِيهِ أُنْزِلَ عَلَيَّ )
হযরত আবু কাতাদাহ রাঃ থেকে বর্ণিত,রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সোমবারের রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন”এই দিনে আমি জন্ম গ্রহণ করেছি এবং এই দিনে আমার উপর কুরআন মাজিদ অবতীর্ণ করা হয়েছে”
(সহিহ মুসলিম-১১৬২)
সর্বোপরি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহের উপর মজবুত থাকার এবং আমল শুরু করার নিয়াত করি। (সুরমা দর্পণ ইসলামিক)

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে রাজশাহী রেলস্টেশনে ভাঙচুর

রোযা রাখার ব্যাপারে হাদিস শরীফ,আমরা নবীজির জন্মের দিন ১২ ই রবিউল আওয়াল যদি সোমবার পড়ে তাহলে রোযা রাখতে পারি।

প্রিয়নবী সাঃ এর মুবারাক জন্ম উপলক্ষে আমরা যেসব মুস্তাহাব আমল করতে পারি।

আপডেটের সময়: ০৯:৩৪:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

.

নবী পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুবারাক জন্ম উপলক্ষে আমরা যেসব মুস্তাহাব আমল করতে পারি। -জাকির হোসেন হানাফি-

১।রাহমাতুল্লিল আলামিনের আগমনের দিনে আমরা,
*১২ ই রবিউল আওয়াল এই বছর সোমবার হলে রোযা রাখতে পারি
*সাদাকাহ
*কুরআন তিলাওয়াত
*নবীজির পবিত্র মিলাদ শরীফের আলোচনা
*সিরাত আলোচনা করতে পারি
সর্বোপরি এগুলোর মাধ্যমে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করতে পারি।
কারণ,আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা বলেছেন,

‎ قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْمَتِهٖ فَبِذٰلِکَ فَلْیَفْرَحُوْا ؕ هُوَ خَیْرٌ مِّمَّا
‎یَجْمَعُوْنَ ﴿سورة يونوس-۵۸﴾

(হে নবী!) আপনি বলুন,এসব আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর রহমতেই হয়েছে।সুতরাং এতে তাদের আনন্দিত হওয়া উচিত।তারা যা-কিছু পুঞ্জীভূত করে,তা অপেক্ষা এটা শ্রেয়! (সুরা ইউনুস-৫৮)
এখানে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে কোন ফাদ্বল ও রাহামহ আসলে তাতে খুশি বা আনন্দ প্রকাশ করার কথা বলা হয়েছে।আর আমাদের নবীজি হচ্ছেন কুল আলমের রাহমাহ,তাই উনার আগমনের দিন আমরা শারীয়াহ সম্মত খুশি জাহির করতে পারি।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় ফিলিং স্টেশনের গ্যাস প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ, আহত ৫

ঈদ নামাযের সাথে বা দুই ঈদের সাথে সম্পৃক্ত তা শুধু নয়,এটি একটি শব্দ যা দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করার কথা বুঝানোও হয়।
যেমন,আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ হযরত ঈসা নবী আলাহিস সালামের দুআ তুলে ধরেছেন,

‎ قَالَ عِیْسَی ابْنُ مَرْیَمَ اللّٰهُمَّ رَبَّنَاۤ اَنْزِلْ عَلَیْنَا مَآئِدَۃً مِّنَ السَّمَآءِ تَكُوْنُ لَنَا عِیْدًا لِّاَوَّلِنَا وَاٰخِرِنَا وَ اٰیَۃً مِّنْکَ ۚ وَارْزُقْنَا وَاَنْتَ خَیْرُ الرّٰزِقِیْنَ ﴿ سورة الماءدة -۱۱۴﴾

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় বায়তুর রহিম জামে মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

(সুতরাং) ঈসা ইবনে মারইয়াম বললেন,হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য আসমান থেকে একটি খাঞ্চা অবতীর্ণ করুন,যা হবে আমাদের এবং আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য আনন্দ উদযাপনের কারণ এবং আপনার পক্ষ হতে একটি নিদর্শন। আমাদেরকে (এ নি‘আমত) অবশ্যই প্রদান করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা।
( সুরা মায়িদাহ-১১৪)

✍️রোযা রাখার ব্যাপারে হাদিস শরীফ,আমরা নবীজির জন্মের দিন ১২ ই রবিউল আওয়াল যদি সোমবার পড়ে তাহলে রোযা রাখতে পারি।
‎عَنْ أَبِي قَتَادَةَ الْأَنْصَارِيِّ رَضِيَ اللَّهُ
‎ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنْ صَوْمِ الِاثْنَيْنِ فَقَالَ : ( فِيهِ وُلِدْتُ وَفِيهِ أُنْزِلَ عَلَيَّ )
হযরত আবু কাতাদাহ রাঃ থেকে বর্ণিত,রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সোমবারের রোযা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন”এই দিনে আমি জন্ম গ্রহণ করেছি এবং এই দিনে আমার উপর কুরআন মাজিদ অবতীর্ণ করা হয়েছে”
(সহিহ মুসলিম-১১৬২)
সর্বোপরি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহের উপর মজবুত থাকার এবং আমল শুরু করার নিয়াত করি। (সুরমা দর্পণ ইসলামিক)