
সংবাদ আজকাল ডেস্ক: দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর অবশেষে নিকার বৈঠকে অনুমোদন পেল বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব। এ ঘোষণায় পুরো বগুড়াজুড়ে বইছে আনন্দের জোয়ার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, রাজনৈতিক অঙ্গন, ব্যবসায়ী মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও স্বস্তি।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত জাতীয় বাস্তবায়ন, উন্নয়ন ও সংস্কার সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির (নিকার) বৈঠকে বগুড়াকে দেশের নতুন সিটি কর্পোরেশন হিসেবে গঠনের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, খুব শিগগিরই এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হতে পারে। সিটি কর্পোরেশন বাস্তবায়নের মাধ্যমে বগুড়ায় আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা, উন্নত সড়ক যোগাযোগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, “বগুড়াবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি ছিল সিটি কর্পোরেশন। অবশেষে নিকার বৈঠকে সেই দাবি অনুমোদন পেয়েছে। এজন্য বগুড়াবাসীর পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।”
সচেতন নাগরিকরা বলছেন, উত্তরাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক, শিক্ষা ও যোগাযোগ কেন্দ্র হিসেবে বগুড়ার গুরুত্ব দীর্ঘদিনের। সিটি কর্পোরেশন বাস্তবায়িত হলে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও নগর অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি পরিকল্পিত নগরায়ণের মাধ্যমে নাগরিক জীবন আরও আধুনিক ও গতিশীল হবে।
ব্যবসায়ী ও সামাজিক সংগঠনের নেতারাও এ সিদ্ধান্তকে “ঐতিহাসিক” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাদের মতে, সিটি কর্পোরেশন গঠনের ফলে বগুড়ার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও দ্রুত এগিয়ে যাবে এবং উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে জেলার মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়ে হাজারো পোস্ট, শুভেচ্ছাবার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই বগুড়া পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের নেতারা। অবশেষে সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বগুড়াবাসী।
প্রতিবেদকের নাম 















