Dhaka ১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোনাতলায় দুই দুর্গামন্দিরের স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে উপহার বিতরণ সোনাতলায় শিশু ইউসুফ হত্যা মামলায় মা গ্রেপ্তার, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি বগুড়ায় পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের জেলা কমিটিতে সোনাতলার আব্দুর রাজ্জাক রুবেল সোনাতলায় নিখোঁজের তিন দিন পর ধানক্ষেত থেকে শিশু ইউসুফের মরদেহ উদ্ধার যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তা চাঁদাবাজ-দখলদারদের যায়গা বিএনপিতে নেই মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় আজহারীর দোয়া, ওমরাহযাত্রীদের নিয়ে উদ্বেগ সারিয়াকান্দিতে পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ আটক ৩ বগুড়ায় শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন বগুড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে শহীদ পরিবার সোসাইটির স্মরণসভা

বগুড়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রিভলবার, দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আন্তজেলা ডাকাত দলের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) গভীর রাতে উপজেলার চৌমুহনী এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— কাহালু উপজেলার পুগইল গ্রামের মৃত নাজির উদ্দিনের ছেলে ইমরান হোসেন (৩০), দুপচাঁচিয়া উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামের নবাব আলীর ছেলে সোহেল (২৮), কাহালু উপজেলার চানপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে রাব্বী হাসান (২১) এবং পাঁচপীর নলঘরিয়া গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে হালিম (২০)।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে বগুড়া পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, চৌমুহনী এলাকার একটি বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্যরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ধাওয়া করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে দলের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি রিভলবার, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি কাটার, দুটি বার্মিজ চাকু, একটি স্লাই রেঞ্জ এবং দুটি গামছা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের হেফাজত থেকে ১২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটও জব্দ করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা আন্তজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। পুলিশের দ্রুত অভিযানের ফলে একটি বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সম্প্রতি শিবগঞ্জ ও নন্দীগ্রাম এলাকায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পলাতক ডাকাত সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সোনাতলায় দুই দুর্গামন্দিরের স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে উপহার বিতরণ

বগুড়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

আপডেটের সময়: ০৩:০৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রিভলবার, দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আন্তজেলা ডাকাত দলের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) গভীর রাতে উপজেলার চৌমুহনী এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— কাহালু উপজেলার পুগইল গ্রামের মৃত নাজির উদ্দিনের ছেলে ইমরান হোসেন (৩০), দুপচাঁচিয়া উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামের নবাব আলীর ছেলে সোহেল (২৮), কাহালু উপজেলার চানপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে রাব্বী হাসান (২১) এবং পাঁচপীর নলঘরিয়া গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে হালিম (২০)।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে বগুড়া পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, চৌমুহনী এলাকার একটি বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্যরা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ধাওয়া করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে দলের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি রিভলবার, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি কাটার, দুটি বার্মিজ চাকু, একটি স্লাই রেঞ্জ এবং দুটি গামছা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের হেফাজত থেকে ১২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটও জব্দ করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা আন্তজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। পুলিশের দ্রুত অভিযানের ফলে একটি বড় ধরনের ডাকাতির ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সম্প্রতি শিবগঞ্জ ও নন্দীগ্রাম এলাকায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পলাতক ডাকাত সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।