Dhaka ০৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
আমরাও চাই হাসিনা আসুক, দেশের মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়’—মীর শাহে আলম বগুড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, সারের সুষম বণ্টন ও জ্বালানি গ্যাসের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা সভা সোনাতলায় অনলাইন জুয়া, মাদক ও বাল্যবিবাহবিরোধী সমাবেশ, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ সোনাতলায় মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল, পেনাল্টিতে চ্যাম্পিয়ন খানপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব সোনাতলার বালুয়ায় ৬ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, অনুদান দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান সারিয়াকান্দিতে ক্রয়কৃত জমি দখল ও খাস জমি দিয়ে মেটানোর অভিযোগ, তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি সোনাতলায় নিজস্ব অর্থায়নে মসজিদ নির্মাণ করছেন ঢাবি অধ্যাপক আহসান হাবিব সোনাতলায় জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরোধ, মারামারিতে আহত ৩ নারী; থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পার্বতীপুরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কমল চন্দ্রের বিরুদ্ধে ১২ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ সোনাতলায় দুই দুর্গামন্দিরের স্বেচ্ছাসেবকদের মাঝে উপহার বিতরণ

আমরাও চাই হাসিনা আসুক, দেশের মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়’—মীর শাহে আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘আমরাও চাই শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসুক। কারণ, দেশের মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়’—এমন মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১টায় বগুড়ার মোকামতলা উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের রাধাকান্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মাঝেমধ্যেই হুমকি দেওয়া হয়, দেশে ফিরে আসবেন। আমরাও চাই, তিনি দেশে ফিরে আসুন। কারণ, দেশের মানুষ তাঁর বিচার দেখতে অপেক্ষা করছে। কিন্তু তাঁর আর দেশে ফেরা হয় না। অন্যদিকে, তারেক রহমান দেশে ফেরার দিন কোটি কোটি মানুষ ঢাকায় সমবেত হয়েছিলেন। আর শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। এটাই জনগণের ভালোবাসা আর জনসমর্থনের পার্থক্য।

ইতিহাস প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না, সত্যকে আড়াল করেও রাখা যায় না। আওয়ামী লীগ যতই চেষ্টা করুক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, সেই ইতিহাস পাল্টানো যাবে না। দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া আমৃত্যু আপসহীন ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানও কেউ বদলে দিতে পারবে না।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল, পেনাল্টিতে চ্যাম্পিয়ন খানপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব

তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি যুগে যুগে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা গর্ব করে বলতে পারেন, তাঁরা শহীদ জিয়ার আদর্শের রাজনৈতিক দলের কর্মী। জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি।

‘বেহেশতের গ্যারান্টি নয়, উন্নয়নের গ্যারান্টি দিতে চাই’
জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বেহেশতের গ্যারান্টি দিতে পারব না, তবে উন্নয়নের গ্যারান্টি দিতে চাই। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই। প্রতিটি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, সারের সুষম বণ্টন ও জ্বালানি গ্যাসের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা সভা

তিনি আরও বলেন, মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। জামায়াত ইসলাম নিয়ে বড় বড় কথা বললেও ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁদের মাসিক সম্মানীর ব্যবস্থা করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অনুপ্রাণিত হয়ে যারা আগে জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের বিএনপির পতাকাতলে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি। জামায়াতে ভোট দিয়ে মানুষ এখন আফসোস করছে বলেও মন্তব্য করেন মীর শাহে আলম।

মোকামতলাকে নতুন উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি বিএনপি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। মোকামতলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বাকি কাজগুলোও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলার বালুয়ায় ৬ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, অনুদান দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনায় উপস্থিত সবার কাছে দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী।

মোকামতলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান তৌফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বগুড়া জজ আদালতের জিপি শফিকুল ইসলাম টুকু, শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব, মোকামতলা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব রোকন-উদ-দৌলা রুবেল, শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মীর শাকরুল আলম সীমান্ত, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম এবং শিবগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সভাপতি খালিদ হাসান আরমান।

এ ছাড়া বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

আমরাও চাই হাসিনা আসুক, দেশের মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়’—মীর শাহে আলম

আমরাও চাই হাসিনা আসুক, দেশের মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়’—মীর শাহে আলম

আপডেটের সময়: ০২:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘আমরাও চাই শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসুক। কারণ, দেশের মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়’—এমন মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১টায় বগুড়ার মোকামতলা উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের রাধাকান্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মাঝেমধ্যেই হুমকি দেওয়া হয়, দেশে ফিরে আসবেন। আমরাও চাই, তিনি দেশে ফিরে আসুন। কারণ, দেশের মানুষ তাঁর বিচার দেখতে অপেক্ষা করছে। কিন্তু তাঁর আর দেশে ফেরা হয় না। অন্যদিকে, তারেক রহমান দেশে ফেরার দিন কোটি কোটি মানুষ ঢাকায় সমবেত হয়েছিলেন। আর শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। এটাই জনগণের ভালোবাসা আর জনসমর্থনের পার্থক্য।

ইতিহাস প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না, সত্যকে আড়াল করেও রাখা যায় না। আওয়ামী লীগ যতই চেষ্টা করুক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, সেই ইতিহাস পাল্টানো যাবে না। দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া আমৃত্যু আপসহীন ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানও কেউ বদলে দিতে পারবে না।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলার বালুয়ায় ৬ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, অনুদান দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান

তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি যুগে যুগে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা গর্ব করে বলতে পারেন, তাঁরা শহীদ জিয়ার আদর্শের রাজনৈতিক দলের কর্মী। জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি।

‘বেহেশতের গ্যারান্টি নয়, উন্নয়নের গ্যারান্টি দিতে চাই’
জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বেহেশতের গ্যারান্টি দিতে পারব না, তবে উন্নয়নের গ্যারান্টি দিতে চাই। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই। প্রতিটি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল, পেনাল্টিতে চ্যাম্পিয়ন খানপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব

তিনি আরও বলেন, মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। জামায়াত ইসলাম নিয়ে বড় বড় কথা বললেও ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁদের মাসিক সম্মানীর ব্যবস্থা করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অনুপ্রাণিত হয়ে যারা আগে জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের বিএনপির পতাকাতলে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি। জামায়াতে ভোট দিয়ে মানুষ এখন আফসোস করছে বলেও মন্তব্য করেন মীর শাহে আলম।

মোকামতলাকে নতুন উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি বিএনপি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। মোকামতলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন উপজেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বাকি কাজগুলোও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  বগুড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, সারের সুষম বণ্টন ও জ্বালানি গ্যাসের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা সভা

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনায় উপস্থিত সবার কাছে দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী।

মোকামতলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান তৌফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বগুড়া জজ আদালতের জিপি শফিকুল ইসলাম টুকু, শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব, মোকামতলা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব রোকন-উদ-দৌলা রুবেল, শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মীর শাকরুল আলম সীমান্ত, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম এবং শিবগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সভাপতি খালিদ হাসান আরমান।

এ ছাড়া বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।