Dhaka ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
৪৮ ঘণ্টা পর মায়ের কোলে ফিরল ৪ মাসের শিশু মাহিন আনাস সোনাতলায় সাংবাদিক সম্মেলনে করা অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি, সাইফুলের প্রতিবাদ সোনাতলায় চাঁদা দাবির অভিযোগে দোকান ভাঙচুর, টাকা লুট ও বাড়িতে হামলার অভিযোগ সোনাতলায় বিএনপির পার্টি অফিস পোড়ানোর মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার ইউনিট পুনর্গঠনে বগুড়া ছাত্রদলের সাংগঠনিক তৎপরতা সাংগঠনিক গতি বাড়াতে পদপ্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ সোনাতলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মী চান- আজিজুর রহমান জাকির সারিয়াকান্দিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম ফুল বগুড়া সদর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন সোনাতলায় মাদক, বাল্যবিবাহ ও কিশোরগ্যাং প্রতিরোধে উঠান বৈঠক সোনাতলায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

সারিয়াকান্দিতে প্রাকৃতিক জলাশয়ে ২৮৬ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৩:২০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯৬ সময় দেখুন

সংবাদ আজকাল ডেস্ক: প্রাকৃতিক জলাশয়ে দেশীয় মাছের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে রাজস্ব খাতের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ২৮৬ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়, প্লাবনভূমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পর্যায়ক্রমে এসব পোনা অবমুক্ত করা হয়।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সারিয়াকান্দি পৌরসভার হিন্দুকান্দি এলাকায় বাঙালি নদীতে ৬৫ কেজি পোনামাছ অবমুক্তের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনের সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম পোনামাছ অবমুক্ত করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কর্মসূচির আওতায় হিন্দুকান্দি বাঙালি নদী ছাড়াও রামচন্দ্রপুর, পাইকপাড়া, গজারিয়া বিল, রামনগর বিল, আশ্রয়ণ প্রকল্পের পুকুর এবং উপজেলা পরিষদ পুকুরে পর্যায়ক্রমে পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। এসব জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশবিস্তার ও উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্য রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় বিএনপির পার্টি অফিস পোড়ানোর মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

মৎস্য বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাকৃতিক জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তের মাধ্যমে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রাখবে এ কর্মসূচি। বিশেষ করে নদী, বিল ও প্লাবনভূমিতে দেশীয় মাছের বিচরণ ও প্রজননের উপযোগী পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় সাংবাদিক সম্মেলনে করা অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি, সাইফুলের প্রতিবাদ

তবে সংশ্লিষ্টরা বলেন, শুধু জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্ত করলেই মাছের উৎপাদন কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বাড়ানো সম্ভব নয়। অবমুক্ত করা পোনামাছ রক্ষা, প্রজনন মৌসুমে অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধ, নিষিদ্ধ জাল ও উপকরণ ব্যবহার রোধ এবং জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ সংরক্ষণ জরুরি। এ জন্য স্থানীয় জেলে ও জলাশয়-নির্ভর জনগোষ্ঠীকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুর্শিদা খাতুন, সারিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ ফ ম আছাদুজ্জামান, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সনি, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী এরফানুর রহমান রেন্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম হিরাসহ মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় মাদক, বাল্যবিবাহ ও কিশোরগ্যাং প্রতিরোধে উঠান বৈঠক

সংশ্লিষ্টরা জানান, পোনা অবমুক্তের পাশাপাশি প্রজনন মৌসুমে মাছ শিকার নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ এবং জলাশয় সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা গেলে এ উদ্যোগের সুফল দীর্ঘমেয়াদে পাওয়া সম্ভব হবে। এ জন্য নিয়মিত তদারকি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

৪৮ ঘণ্টা পর মায়ের কোলে ফিরল ৪ মাসের শিশু মাহিন আনাস

সারিয়াকান্দিতে প্রাকৃতিক জলাশয়ে ২৮৬ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত

আপডেটের সময়: ০৩:২০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংবাদ আজকাল ডেস্ক: প্রাকৃতিক জলাশয়ে দেশীয় মাছের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে রাজস্ব খাতের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ২৮৬ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়, প্লাবনভূমি ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পর্যায়ক্রমে এসব পোনা অবমুক্ত করা হয়।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সারিয়াকান্দি পৌরসভার হিন্দুকান্দি এলাকায় বাঙালি নদীতে ৬৫ কেজি পোনামাছ অবমুক্তের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনের সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম পোনামাছ অবমুক্ত করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কর্মসূচির আওতায় হিন্দুকান্দি বাঙালি নদী ছাড়াও রামচন্দ্রপুর, পাইকপাড়া, গজারিয়া বিল, রামনগর বিল, আশ্রয়ণ প্রকল্পের পুকুর এবং উপজেলা পরিষদ পুকুরে পর্যায়ক্রমে পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। এসব জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশবিস্তার ও উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্য রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সারিয়াকান্দিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম ফুল

মৎস্য বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাকৃতিক জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তের মাধ্যমে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রাখবে এ কর্মসূচি। বিশেষ করে নদী, বিল ও প্লাবনভূমিতে দেশীয় মাছের বিচরণ ও প্রজননের উপযোগী পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

তবে সংশ্লিষ্টরা বলেন, শুধু জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্ত করলেই মাছের উৎপাদন কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বাড়ানো সম্ভব নয়। অবমুক্ত করা পোনামাছ রক্ষা, প্রজনন মৌসুমে অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধ, নিষিদ্ধ জাল ও উপকরণ ব্যবহার রোধ এবং জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ সংরক্ষণ জরুরি। এ জন্য স্থানীয় জেলে ও জলাশয়-নির্ভর জনগোষ্ঠীকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুর্শিদা খাতুন, সারিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ ফ ম আছাদুজ্জামান, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সনি, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী এরফানুর রহমান রেন্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম হিরাসহ মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় মাদক, বাল্যবিবাহ ও কিশোরগ্যাং প্রতিরোধে উঠান বৈঠক

সংশ্লিষ্টরা জানান, পোনা অবমুক্তের পাশাপাশি প্রজনন মৌসুমে মাছ শিকার নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ এবং জলাশয় সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা গেলে এ উদ্যোগের সুফল দীর্ঘমেয়াদে পাওয়া সম্ভব হবে। এ জন্য নিয়মিত তদারকি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।