Dhaka ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
পার্বতীপুরে জমি-জমা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৩ সোনাতলায় সড়ক দখলমুক্ত করতে অভিযান, মণ্ডল হোটেলকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা মিঠাপুকুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা অভিযান মধ্যনগরে অনুমতি ছাড়াই দুই ড্রেজারে বালু উত্তোলনের অভিযোগ নন্দীগ্রামে কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর, দানবাক্সের টাকা ও পূজার সামগ্রী চুরি স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণায় নিজের ছবি ব্যবহার না করার অনুরোধ এমপি কাজী রফিকুল ইসলামের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারে গাফিলতির অভিযোগ, এসআই প্রত্যাহার পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশনে ৫ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার সোনাতলায় জমি বিরোধে হামলা, কুপিয়ে জখম ও ৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ পার্বতীপুরে গৃহবধূকে শাবল দিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেফতার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জিগাতলা ও কুতুবখালী খালে টাস্কফোর্সের বিশেষ অভিযান, দুই ভবন মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা, নেতৃত্বে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৪০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ২৩৮ সময় দেখুন

অনলাইন ডেস্ক: ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নবগঠিত জাতীয় টাস্কফোর্সের উদ্যোগে রাজধানীর জিগাতলা ও যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী খাল এলাকায় বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং টাস্কফোর্সের সভাপতি মীর শাহে আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে জিগাতলা এলাকার বিভিন্ন বসতবাড়ির ছাদ, বেইজমেন্ট, হোটেল, রেস্তোরাঁ ও নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করা হয়। এ সময় দুটি ব্যক্তি মালিকানাধীন নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ২৭০ ধারা অনুযায়ী ভবনের দুই মালিককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি লার্ভা শনাক্ত হওয়া ভবনগুলোতে লাল কালি চিহ্নিত সতর্কতামূলক লিফলেট সাঁটানো হয়।

পরিদর্শনের সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন সরকারি আবাসিক এলাকায় ডেঙ্গুর লার্ভা বিস্তারের অনুকূল পরিবেশ ও জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা দেখতে পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়। একই সঙ্গে পথচারী ও ব্যবসায়ীদের যত্রতত্র ময়লা না ফেলার আহ্বান জানিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মীর শাহে আলম বলেন, “মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তি দেওয়া আমাদের মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুক।

তিনি আরও জানান, জাতীয় কমিটির অধীনে গঠিত এই টাস্কফোর্সের অভিযান রাজধানীজুড়ে অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

পরে যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ কুতুবখালী খাল পরিদর্শন করে প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং খাল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

এ সময় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

পার্বতীপুরে জমি-জমা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৩

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জিগাতলা ও কুতুবখালী খালে টাস্কফোর্সের বিশেষ অভিযান, দুই ভবন মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা, নেতৃত্বে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

আপডেটের সময়: ০৫:৪০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক: ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নবগঠিত জাতীয় টাস্কফোর্সের উদ্যোগে রাজধানীর জিগাতলা ও যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী খাল এলাকায় বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং টাস্কফোর্সের সভাপতি মীর শাহে আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে জিগাতলা এলাকার বিভিন্ন বসতবাড়ির ছাদ, বেইজমেন্ট, হোটেল, রেস্তোরাঁ ও নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করা হয়। এ সময় দুটি ব্যক্তি মালিকানাধীন নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ২৭০ ধারা অনুযায়ী ভবনের দুই মালিককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি লার্ভা শনাক্ত হওয়া ভবনগুলোতে লাল কালি চিহ্নিত সতর্কতামূলক লিফলেট সাঁটানো হয়।

পরিদর্শনের সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন সরকারি আবাসিক এলাকায় ডেঙ্গুর লার্ভা বিস্তারের অনুকূল পরিবেশ ও জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা দেখতে পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়। একই সঙ্গে পথচারী ও ব্যবসায়ীদের যত্রতত্র ময়লা না ফেলার আহ্বান জানিয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মীর শাহে আলম বলেন, “মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তি দেওয়া আমাদের মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুক।

তিনি আরও জানান, জাতীয় কমিটির অধীনে গঠিত এই টাস্কফোর্সের অভিযান রাজধানীজুড়ে অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

পরে যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ কুতুবখালী খাল পরিদর্শন করে প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং খাল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

এ সময় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।