
এস এম দৌলত বগুড়া: বগুড়া মহানগরের ফুলদীঘি, শান্তিবাগ ও চকফরিদ এলাকার অন্তত দুই হাজার পরিবারের চলাচলের প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সরু হয়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
র্যাব-১২ বগুড়া অফিস হতে পেপসি কোম্পানী পর্যন্ত সংযোগ সংকীর্ণ সড়কটির কারণে জরুরি প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সও এলাকায় প্রবেশ করতে পারে না। এ অবস্থায় সড়কটি দ্রুত প্রশস্ত করার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।
রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে শহরের ফুলদীঘি এলাকায় র্যাব-১২ বগুড়া কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ফুলদীঘি নবীন সংঘের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম, সৈয়দ সোহেল আহম্মেদ লিটন, জাকির হোসেন, কাইয়ুম, রইচ উদ্দিন, কনক, মোহাম্মদ আলী, শফিকুল ইসলাম, সেলিম, আবু তালেব, রাজু, লাবু, হাসান, আশরাফ, হালিম, বিপ্লব, শামীম, সোহান ও বিল্টুসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।
ফুলদীঘি নবীন সংঘের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, এটি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবি নয়; বরং হাজারো মানুষের নিরাপদ চলাচল ও জননিরাপত্তার প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিলে এলাকার দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।
এলাকাবাসী জানান, সড়কটি অত্যন্ত সংকীর্ণ হওয়ায় প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়ক দিয়ে একসঙ্গে দুটি যানবাহন চলাচল করাও অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে অগ্নিকাণ্ড, দুর্ঘটনা কিংবা অন্য কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধারকারী যানবাহন এলাকায় প্রবেশ করতে না পারায় বড় ধরনের জানমালের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ভিটিটিআই) এবং বগুড়া সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সীমানাপ্রাচীর কয়েক ফুট ভেতরে সরিয়ে নিলে সড়কটি সহজেই প্রশস্ত করা সম্ভব। ভিটিটিআইয়ের সীমানাপ্রাচীর ১০ ফুট এবং বগুড়া সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সীমানাপ্রাচীর ৫ ফুট ভেতরে সরিয়ে নিলে সড়কের প্রস্থ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এতে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবাদানকারী যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।
দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এমন প্রত্যাশা জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রতিবেদকের নাম 





















