
সাঘাটায় স্কুলছাত্রকে ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও আটকে রাখার অভিযোগ।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এক কিশোরীকে দিয়ে ফাঁদে ফেলে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে জোরপূর্বক অপহরণ ও আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় অপহৃতের বাবা মো. আজিজুল হক সাঘাটা থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অপহৃত স্কুলছাত্র মো. আলাল হোসেন (১৫) স্থানীয় শালিখা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং সাঘাটার কামারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিবাদীদের সাথে পূর্বশত্রুতা ও ক্ষতিকরার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। গত ১৩ জুন (২০২৬) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে জুমারবাড়ী থেকে বাড়ি ফেরার পথে আলাল হোসেনকে টার্গেট করা হয়। অভিযুক্তদের একজন, ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দিয়ে কৌশলে আলালের সাথে কথা বলার ফাঁদ পাতা হয়।
আলাল সরল বিশ্বাসে কথা বলতে দাঁড়ালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা অন্যান্য অভিযুক্তরাসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় এবং সাঘাটার কুন্দপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ওবায়দুলের বাড়িতে আটকে রাখে।
খবর পেয়ে অপহৃতের বাবা ও পরিবারের লোকজন ওবায়দুলের বাড়িতে ছেলেকে উদ্ধারে গেলে অভিযুক্তরা তাদের বাধা দেয়। তারা ছেলেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর না করে উল্টো গালিগালাজ, অপমান এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে তাড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পুনরায় উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হলেও তা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।
বর্তমানে নাবালক স্কুলছাত্রটি অভিযুক্তদের বাড়িতে অবৈধভাবে আটকে আছে এবং পরিবার আশঙ্কা করছে যে কোনো সময় তার বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। ছেলেকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে স্থানীয়দের পরামর্শে অপহৃতের বাবা সাঘাটা থানায় এই অভিযোগটি দায়ের করেন। পুলিশ অভিযোগটি আমলে নিয়ে অপহৃত স্কুলছাত্রকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 


















