Dhaka ০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বালুয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া, চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজান এইচএসসি পরীক্ষায় সোনাতলার কলেজগুলোর বেহাল দশা, ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ অনুমতি ও জুতা খোলার বাধ্যবাধকতা নেই, জনবান্ধব উদ্যোগে প্রশংসিত বরুড়ার ইউএনও সোনাতলার ঘোড়াপীর রোডে ৩০০ মিটার আরসিসি ঢালাই কাজের উদ্বোধন পার্বতীপুরে কালভার্টের পানি নিষ্কাশন পথ বন্ধের অভিযোগ, দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে সোনাতলায় বিএনপির সমাবেশ আমরাও চাই হাসিনা আসুক, দেশের মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়’—মীর শাহে আলম বগুড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, সারের সুষম বণ্টন ও জ্বালানি গ্যাসের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা সভা সোনাতলায় অনলাইন জুয়া, মাদক ও বাল্যবিবাহবিরোধী সমাবেশ, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ সোনাতলায় মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল, পেনাল্টিতে চ্যাম্পিয়ন খানপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব

বালুয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া, চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজান

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১১:১৩:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ৫৭ সময় দেখুন

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে চেয়ারম্যান পদে কে হবেন যোগ্য প্রার্থী, তা নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ।

এবারের নির্বাচনে দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সততা, যোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সাধারণ মানুষের পাশে থাকার মানসিকতাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভোটারদের অনেকে। তাদের প্রত্যাশা, দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করবেন এমন একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব।

এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, বালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা এবং তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগকে নিজের রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখছেন তিনি।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণার পর থেকেই ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজার, চায়ের দোকানের আড্ডা, সামাজিক ও রাজনৈতিক মহল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তার সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ইতোমধ্যে বিভিন্নভাবে তার প্রার্থিতার বিষয়টি সামনে তুলে ধরছেন।

আরও পড়ুনঃ  এইচএসসি পরীক্ষায় সোনাতলার কলেজগুলোর বেহাল দশা, ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ

মিজানুর রহমান মিজান বলেন, ‘চেয়ারম্যান হওয়াই আমার একমাত্র লক্ষ্য নয়, মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করাই আমার স্বপ্ন। আমি বালুয়া ইউনিয়নকে একটি জনবান্ধব, আধুনিক ও উন্নত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ইউনিয়ন পরিষদের সেবা পেতে যেন কোনো মানুষকে হয়রানি বা অযথা ভোগান্তির শিকার হতে না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে চাই। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সহায়তা, বেকার তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সরকারি সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াকে অগ্রাধিকার দিতে চান।

ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা আগামী দিনে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা, সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার এবং নাগরিক সেবায় জবাবদিহিতা প্রত্যাশা করছেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনায় প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জনসাধারণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলার ঘোড়াপীর রোডে ৩০০ মিটার আরসিসি ঢালাই কাজের উদ্বোধন

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি শুধু নির্বাচনের সময় নয়, সারা বছর সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন। দলীয় পরিচয় কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্ক বিবেচনা না করে সবার সমস্যা শুনবেন এবং সমানভাবে উন্নয়ন করবেন।

স্থানীয়দের মতে, ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং অসহায় মানুষের সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা আগামী দিনের জনপ্রতিনিধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থানীয় পর্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জনপ্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচনগুলোর একটি। এ নির্বাচনে দলীয় সমর্থনের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, অতীত কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক অবস্থান এবং ভোটারদের সঙ্গে সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কাকে বেছে নেবেন, তা নির্ভর করবে প্রার্থীদের যোগ্যতা, প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনী কার্যক্রমের ওপর।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলার ঘোড়াপীর রোডে ৩০০ মিটার আরসিসি ঢালাই কাজের উদ্বোধন

এদিকে বালুয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য আরও কয়েকজন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। কেউ গণসংযোগ, কেউ সামাজিক কর্মকাণ্ড, আবার কেউ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন।

সব মিলিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে বালুয়া ইউনিয়নে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে। তবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা, প্রার্থীদের চূড়ান্ত অংশগ্রহণ এবং ভোটের মাঠের বাস্তব পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়ার পরই নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রকৃত চিত্র পাওয়া যাবে।

এখন দেখার বিষয়, আসন্ন নির্বাচনে বালুয়া ইউনিয়নের ভোটাররা অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক পরিচয়, ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা নাকি নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশাকে বেশি গুরুত্ব দেন। শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে জনগণের রায়ই নির্ধারণ করবে ইউনিয়নের আগামী দিনের নেতৃত্ব।

Tag :

বালুয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া, চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজান

বালুয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া, চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজান

আপডেটের সময়: ১১:১৩:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে চেয়ারম্যান পদে কে হবেন যোগ্য প্রার্থী, তা নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ।

এবারের নির্বাচনে দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সততা, যোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সাধারণ মানুষের পাশে থাকার মানসিকতাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভোটারদের অনেকে। তাদের প্রত্যাশা, দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করবেন এমন একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব।

এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন সোনাতলা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, বালুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা এবং তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগকে নিজের রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখছেন তিনি।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণার পর থেকেই ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজার, চায়ের দোকানের আড্ডা, সামাজিক ও রাজনৈতিক মহল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তার সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ইতোমধ্যে বিভিন্নভাবে তার প্রার্থিতার বিষয়টি সামনে তুলে ধরছেন।

আরও পড়ুনঃ  এইচএসসি পরীক্ষায় সোনাতলার কলেজগুলোর বেহাল দশা, ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ

মিজানুর রহমান মিজান বলেন, ‘চেয়ারম্যান হওয়াই আমার একমাত্র লক্ষ্য নয়, মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করাই আমার স্বপ্ন। আমি বালুয়া ইউনিয়নকে একটি জনবান্ধব, আধুনিক ও উন্নত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ইউনিয়ন পরিষদের সেবা পেতে যেন কোনো মানুষকে হয়রানি বা অযথা ভোগান্তির শিকার হতে না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে চাই। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সহায়তা, বেকার তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সরকারি সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াকে অগ্রাধিকার দিতে চান।

ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা আগামী দিনে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা, সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার এবং নাগরিক সেবায় জবাবদিহিতা প্রত্যাশা করছেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনায় প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জনসাধারণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলার ঘোড়াপীর রোডে ৩০০ মিটার আরসিসি ঢালাই কাজের উদ্বোধন

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি শুধু নির্বাচনের সময় নয়, সারা বছর সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন। দলীয় পরিচয় কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্ক বিবেচনা না করে সবার সমস্যা শুনবেন এবং সমানভাবে উন্নয়ন করবেন।

স্থানীয়দের মতে, ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং অসহায় মানুষের সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা আগামী দিনের জনপ্রতিনিধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থানীয় পর্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জনপ্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচনগুলোর একটি। এ নির্বাচনে দলীয় সমর্থনের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, অতীত কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক অবস্থান এবং ভোটারদের সঙ্গে সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কাকে বেছে নেবেন, তা নির্ভর করবে প্রার্থীদের যোগ্যতা, প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনী কার্যক্রমের ওপর।

আরও পড়ুনঃ  এইচএসসি পরীক্ষায় সোনাতলার কলেজগুলোর বেহাল দশা, ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ

এদিকে বালুয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য আরও কয়েকজন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। কেউ গণসংযোগ, কেউ সামাজিক কর্মকাণ্ড, আবার কেউ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন।

সব মিলিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে বালুয়া ইউনিয়নে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে। তবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা, প্রার্থীদের চূড়ান্ত অংশগ্রহণ এবং ভোটের মাঠের বাস্তব পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়ার পরই নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রকৃত চিত্র পাওয়া যাবে।

এখন দেখার বিষয়, আসন্ন নির্বাচনে বালুয়া ইউনিয়নের ভোটাররা অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক পরিচয়, ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা নাকি নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশাকে বেশি গুরুত্ব দেন। শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে জনগণের রায়ই নির্ধারণ করবে ইউনিয়নের আগামী দিনের নেতৃত্ব।