Dhaka ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোনাতলায় অবৈধ বালু উত্তোলন, তাতীদল নেতাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা পার্বতীপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথ সংবাদ সম্মেলন সোনাতলায় ৩০০ টাকা হারানোকে কেন্দ্র করে মারধর, নিহত ১ পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি বগুড়া মহানগর ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক কবির হোসেন মিলন সোনাতলায় প্রবাসীর স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা, প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা সোনাতলা মহিলা কলেজে ছাত্রীদের মাঝে দুই শতাধিক গাছের চারা বিতরণ সোনাতলায় ৩৫ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেপ্তার, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিও আটক সোনাতলায় উন্নয়নের ছোঁয়া, গোপাই শাহবাজপুরে সড়কের সিসি ঢালাই উদ্বোধন সারিয়াকান্দিতে ছাত্রদলের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

জামিনে এসে বাদীপক্ষের জমির ধান কেটে নেওয়া ও মেহগনি গাছ কর্তনের অভিযোগ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১১:২০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ১৯৯ সময় দেখুন

নিউজ ডেস্ক: বগুড়ার সোনাতলায় ডাকাতি মামলার আসামিরা জামিনে বের হয়ে বাদীপক্ষের জমির পাকা বোরো ধান জোরপূর্বক কেটে নেওয়া এবং গভীর রাতে মেহগনি বাগানের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধান কেটে নেওয়ার সত্যতা পেয়েছে বলে জানিয়েছে।

ঘটনাটি উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের উত্তর আটকরিয়া (ঝিনারপাড়া) গ্রামে ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর আটকরিয়া গ্রামের মৃত আফছার আলী মণ্ডলের ছেলে আমিরুল ইসলাম ও মোজাহিদুল ইসলাম মিল্টনের সঙ্গে তাদের বৈমাত্রভাই জাহিদুল ইসলাম ও মাহিদুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধের জেরে গত ২৯ আগস্ট ২০২৫ তারিখে আমিরুল ইসলামের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

এ ঘটনায় গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে আমিরুল ইসলামের ছেলে ফরহাদ হোসেন বাদী হয়ে জাহিদুল ইসলাম, মাহিদুল ইসলামসহ কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বগুড়ার বিজ্ঞ দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, গত ৫ মে জাহিদুল ইসলাম, মাহিদুল ইসলাম ও রুবেল মিয়াসহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমিরুল ইসলামের বর্গাচাষি মোনারুল ইসলামের চাষ করা পাকা বোরো ধান জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ফরহাদ হোসেন সোনাতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, গত ১২ মে গভীর রাতে বাদীপক্ষের মেহগনি বাগানের প্রায় অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলা হয়।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

এ বিষয়ে ফরহাদ হোসেনের চাচা মোজাহিদুল ইসলাম মিল্টন বলেন, “ডাকাতি মামলার আসামিরা জামিনে বের হয়ে প্রথমে আমাদের বর্গাচাষির ধান জোর করে কেটে নিয়ে গেছে। পরে গভীর রাতে বাগানের প্রায় অর্ধশতাধিক মেহগনি গাছ কেটে ফেলেছে। আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।

বর্গাচাষি মোনারুল ইসলাম বলেন, “আমি আমিরুল ইসলামের জমি বর্গা নিয়ে বোরো ধান আবাদ করেছিলাম। জাহিদুল ও মাহিদুল ১০-১৫ জন লোক নিয়ে এসে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর করে ধান কেটে নিয়ে গেছে। আমি গরিব মানুষ। আমার ধান ফেরত পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

অভিযোগের বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ওই জমি আমাদের কবলাকৃত। আমার বৈমাত্র ভাইয়েরা জোর করে সেখানে ধান লাগিয়েছিল। তাই আমরা ধান কেটে নিয়েছি। তবে গাছ কাটার বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।

এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনাতলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধান কেটে নেওয়ার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া গাছ কাটার বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। ভুক্তভোগীদের থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।

Tag :

সোনাতলায় অবৈধ বালু উত্তোলন, তাতীদল নেতাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

জামিনে এসে বাদীপক্ষের জমির ধান কেটে নেওয়া ও মেহগনি গাছ কর্তনের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ১১:২০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

নিউজ ডেস্ক: বগুড়ার সোনাতলায় ডাকাতি মামলার আসামিরা জামিনে বের হয়ে বাদীপক্ষের জমির পাকা বোরো ধান জোরপূর্বক কেটে নেওয়া এবং গভীর রাতে মেহগনি বাগানের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযোগের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধান কেটে নেওয়ার সত্যতা পেয়েছে বলে জানিয়েছে।

ঘটনাটি উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের উত্তর আটকরিয়া (ঝিনারপাড়া) গ্রামে ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর আটকরিয়া গ্রামের মৃত আফছার আলী মণ্ডলের ছেলে আমিরুল ইসলাম ও মোজাহিদুল ইসলাম মিল্টনের সঙ্গে তাদের বৈমাত্রভাই জাহিদুল ইসলাম ও মাহিদুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধের জেরে গত ২৯ আগস্ট ২০২৫ তারিখে আমিরুল ইসলামের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

এ ঘটনায় গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে আমিরুল ইসলামের ছেলে ফরহাদ হোসেন বাদী হয়ে জাহিদুল ইসলাম, মাহিদুল ইসলামসহ কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বগুড়ার বিজ্ঞ দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, গত ৫ মে জাহিদুল ইসলাম, মাহিদুল ইসলাম ও রুবেল মিয়াসহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমিরুল ইসলামের বর্গাচাষি মোনারুল ইসলামের চাষ করা পাকা বোরো ধান জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ফরহাদ হোসেন সোনাতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, গত ১২ মে গভীর রাতে বাদীপক্ষের মেহগনি বাগানের প্রায় অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলা হয়।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

এ বিষয়ে ফরহাদ হোসেনের চাচা মোজাহিদুল ইসলাম মিল্টন বলেন, “ডাকাতি মামলার আসামিরা জামিনে বের হয়ে প্রথমে আমাদের বর্গাচাষির ধান জোর করে কেটে নিয়ে গেছে। পরে গভীর রাতে বাগানের প্রায় অর্ধশতাধিক মেহগনি গাছ কেটে ফেলেছে। আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।

বর্গাচাষি মোনারুল ইসলাম বলেন, “আমি আমিরুল ইসলামের জমি বর্গা নিয়ে বোরো ধান আবাদ করেছিলাম। জাহিদুল ও মাহিদুল ১০-১৫ জন লোক নিয়ে এসে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর করে ধান কেটে নিয়ে গেছে। আমি গরিব মানুষ। আমার ধান ফেরত পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।

আরও পড়ুনঃ  পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে বিশেষ অভিযান

অভিযোগের বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ওই জমি আমাদের কবলাকৃত। আমার বৈমাত্র ভাইয়েরা জোর করে সেখানে ধান লাগিয়েছিল। তাই আমরা ধান কেটে নিয়েছি। তবে গাছ কাটার বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।

এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা সোনাতলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধান কেটে নেওয়ার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া গাছ কাটার বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। ভুক্তভোগীদের থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।