
সংবাদ আজকাল ডেস্ক: টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে তিস্তার চর ও দ্বীপচরের নিচু এলাকা প্লাবিত হতে শুরু করেছে। নতুন করে বন্যার আশঙ্কায় উদ্বেগে রয়েছেন নদীতীরবর্তী বাসিন্দারা।
বুধবার (৮ জুলাই) সকালে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে মাত্র তিন ঘণ্টায় পানির উচ্চতা ১৪ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে দুধকুমার ও ধরলা নদীর কয়েকটি পয়েন্টেও পানির উচ্চতা বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চিলমারী উপজেলায় ১৫০ মিলিমিটার, পাটেশ্বরীতে ৫৪ মিলিমিটার এবং কুড়িগ্রাম সদরে ৫২ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
তিস্তা তীরবর্তী ঘড়িয়ালডাঙ্গা চরের বাসিন্দারা জানান, পানি বাড়তে থাকায় ফসলি জমি ও বসতভিটায় পানি ঢুকতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে নদীভাঙনের ঝুঁকিও বেড়েছে।
জেলা চর উন্নয়ন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইয়েদ আহমেদ বাবু বলেন, বন্যা ও নদীভাঙনের কারণে চরাঞ্চলের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সহায়তা এবং নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বেনজির আহমেদ জানান, বন্যা মোকাবিলায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ২৮৫ মেট্রিক টন জিআর চাল, ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা এবং ৮০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, উজানে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিস্তাসহ কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমা স্পর্শ করতে পারে। তাই নদীতীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
প্রতিবেদকের নাম 














