Dhaka ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
৪৮ ঘণ্টা পর মায়ের কোলে ফিরল ৪ মাসের শিশু মাহিন আনাস সোনাতলায় সাংবাদিক সম্মেলনে করা অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি, সাইফুলের প্রতিবাদ সোনাতলায় চাঁদা দাবির অভিযোগে দোকান ভাঙচুর, টাকা লুট ও বাড়িতে হামলার অভিযোগ সোনাতলায় বিএনপির পার্টি অফিস পোড়ানোর মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার ইউনিট পুনর্গঠনে বগুড়া ছাত্রদলের সাংগঠনিক তৎপরতা সাংগঠনিক গতি বাড়াতে পদপ্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ সোনাতলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মী চান- আজিজুর রহমান জাকির সারিয়াকান্দিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম ফুল বগুড়া সদর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন সোনাতলায় মাদক, বাল্যবিবাহ ও কিশোরগ্যাং প্রতিরোধে উঠান বৈঠক সোনাতলায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

সোনাতলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মী চান- আজিজুর রহমান জাকির

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৩২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১২ সময় দেখুন

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে দীর্ঘদিনের ত্যাগী, পরীক্ষিত ও সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় কর্মীদের মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আজিজুর রহমান জাকির। একই সঙ্গে তিনি নিজেও নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

ছাত্রদলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পথচলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জাকির বলেন, ২০১১ সালে ওয়ার্ড ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তার ছাত্ররাজনীতির আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু। এরপর ধাপে ধাপে তিনি সোনাতলা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক এবং পরবর্তীতে সোনাতলা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি দলের প্রতিকূল সময়েও মাঠে থাকার দাবি করেন জাকির। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক কারণে তাকে বিভিন্ন সময় মামলা, হামলা ও নানা ধরনের চাপের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তার নামে চারটি মামলা হয়েছে এবং একাধিকবার বাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় বাড়ির বাইরে কিংবা আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সারিয়াকান্দিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম ফুল

জাকির বলেন, “আমি ছাত্রদলের রাজনীতিতে এসেছি দলের সুসময়ে নয়, প্রতিকূল সময়েও সংগঠনের সঙ্গে ছিলাম। ২০১১ সাল থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছি। তাই নতুন কমিটি গঠনের সময় দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা ও দুঃসময়ে ভূমিকা বিবেচনা করা উচিত।

তার মতে, সোনাতলা উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কে কোন গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত—এ বিষয়টি মুখ্য না করে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক দক্ষতা, দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং কঠিন সময়ে ভূমিকা যাচাই করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, “যারা বছরের পর বছর ছাত্রদলের সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে ছিলেন, তাদের মূল্যায়ন করা দরকার। বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময় যারা মামলা-হামলা ও নানা চাপের মধ্যেও সংগঠনের পাশে ছিলেন, তাদের ত্যাগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

আরও পড়ুনঃ  ইউনিট পুনর্গঠনে বগুড়া ছাত্রদলের সাংগঠনিক তৎপরতা সাংগঠনিক গতি বাড়াতে পদপ্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ

নতুন কমিটি গঠনের আগে নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড যাচাইয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন জাকির। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সোনাতলার ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে কারা সম্পৃক্ত, কারা নিয়মিত দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন এবং কারা দলীয় নির্দেশনা অনুসরণ করে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন—এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

এ ছাড়া ২০২৩ সালের আগ থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপি ও ছাত্রদলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে কারা সক্রিয় ছিলেন, তাদের পুরোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক উপস্থিতিও যাচাই করা যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

জাকির আরও বলেন, “শুধু পরিবারের রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে নতুন প্রজন্মের কাউকে সাংগঠনিক পদ দেওয়া উচিত নয়। বাবা, চাচা কিংবা পরিবারের অন্য কেউ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন—এটি অবশ্যই সম্মানের বিষয়। কিন্তু পদ পাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা ও দলের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণই বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

একই সঙ্গে দলের সু-সময়ে নতুন করে সক্রিয় হওয়া ব্যক্তিদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়েও যাচাই-বাছাইয়ের আহ্বান জানান তিনি। তবে কোনো ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে অভিযোগ না তুলে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়গুলো যাচাই করার কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় বিএনপির পার্টি অফিস পোড়ানোর মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে জাকির বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের সঙ্গে আছি। ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন এবং উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি। সাবেক সোনাতলা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। দলের দুঃসময়ে মাঠে সক্রিয়ভাবে সকল প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছি। তাই নতুন কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়ে আমি আগ্রহী।

তার ভাষ্য, নতুন কমিটিতে যোগ্যতা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আস্থা বাড়বে এবং সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে।

জাকিরের প্রত্যাশা, সোনাতলা উপজেলা ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণে ত্যাগ, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা, নিয়মিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ও দুঃসময়ে ভূমিকার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

৪৮ ঘণ্টা পর মায়ের কোলে ফিরল ৪ মাসের শিশু মাহিন আনাস

সোনাতলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মী চান- আজিজুর রহমান জাকির

আপডেটের সময়: ০৬:৩২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে দীর্ঘদিনের ত্যাগী, পরীক্ষিত ও সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় কর্মীদের মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আজিজুর রহমান জাকির। একই সঙ্গে তিনি নিজেও নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

ছাত্রদলের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পথচলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জাকির বলেন, ২০১১ সালে ওয়ার্ড ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তার ছাত্ররাজনীতির আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু। এরপর ধাপে ধাপে তিনি সোনাতলা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক এবং পরবর্তীতে সোনাতলা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি দলের প্রতিকূল সময়েও মাঠে থাকার দাবি করেন জাকির। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক কারণে তাকে বিভিন্ন সময় মামলা, হামলা ও নানা ধরনের চাপের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তার নামে চারটি মামলা হয়েছে এবং একাধিকবার বাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় বাড়ির বাইরে কিংবা আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় মাদক, বাল্যবিবাহ ও কিশোরগ্যাং প্রতিরোধে উঠান বৈঠক

জাকির বলেন, “আমি ছাত্রদলের রাজনীতিতে এসেছি দলের সুসময়ে নয়, প্রতিকূল সময়েও সংগঠনের সঙ্গে ছিলাম। ২০১১ সাল থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছি। তাই নতুন কমিটি গঠনের সময় দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা ও দুঃসময়ে ভূমিকা বিবেচনা করা উচিত।

তার মতে, সোনাতলা উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কে কোন গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত—এ বিষয়টি মুখ্য না করে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক দক্ষতা, দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং কঠিন সময়ে ভূমিকা যাচাই করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, “যারা বছরের পর বছর ছাত্রদলের সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে ছিলেন, তাদের মূল্যায়ন করা দরকার। বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময় যারা মামলা-হামলা ও নানা চাপের মধ্যেও সংগঠনের পাশে ছিলেন, তাদের ত্যাগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

আরও পড়ুনঃ  সারিয়াকান্দিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম ফুল

নতুন কমিটি গঠনের আগে নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড যাচাইয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন জাকির। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সোনাতলার ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে কারা সম্পৃক্ত, কারা নিয়মিত দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন এবং কারা দলীয় নির্দেশনা অনুসরণ করে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন—এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

এ ছাড়া ২০২৩ সালের আগ থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপি ও ছাত্রদলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে কারা সক্রিয় ছিলেন, তাদের পুরোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক উপস্থিতিও যাচাই করা যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

জাকির আরও বলেন, “শুধু পরিবারের রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে নতুন প্রজন্মের কাউকে সাংগঠনিক পদ দেওয়া উচিত নয়। বাবা, চাচা কিংবা পরিবারের অন্য কেউ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন—এটি অবশ্যই সম্মানের বিষয়। কিন্তু পদ পাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা ও দলের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণই বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

একই সঙ্গে দলের সু-সময়ে নতুন করে সক্রিয় হওয়া ব্যক্তিদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়েও যাচাই-বাছাইয়ের আহ্বান জানান তিনি। তবে কোনো ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে অভিযোগ না তুলে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়গুলো যাচাই করার কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  সোনাতলায় চাঁদা দাবির অভিযোগে দোকান ভাঙচুর, টাকা লুট ও বাড়িতে হামলার অভিযোগ

নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে জাকির বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের সঙ্গে আছি। ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন এবং উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি। সাবেক সোনাতলা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। দলের দুঃসময়ে মাঠে সক্রিয়ভাবে সকল প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছি। তাই নতুন কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়ে আমি আগ্রহী।

তার ভাষ্য, নতুন কমিটিতে যোগ্যতা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আস্থা বাড়বে এবং সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে।

জাকিরের প্রত্যাশা, সোনাতলা উপজেলা ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণে ত্যাগ, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা, নিয়মিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ও দুঃসময়ে ভূমিকার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।