
সংবাদ আজকাল ডেস্ক: বগুড়ার সোনাতলায় জমিজমা ও পারিবারিক বিরোধের জের ধরে হামলা চালিয়ে এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম এবং বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য রাখা নগদ ৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মন্টু মিয়া নামে এক ব্যক্তি সোনাতলা থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন।
এজাহারে অভিযুক্তরা হলেন—উপজেলার ছোটবালুয়া (কারিগরপাড়া) গ্রামের মৃত ফজলু প্রাংয়ের স্ত্রী ছালমা বেগম, তার ছেলে ছালদার, মহাতাব, মোতালেব এবং ছালদারের ছেলে সৌরভ মিয়া।
থানায় দেওয়া এজাহার সূত্রে জানা যায়, ছোটবালুয়া (কারিগরপাড়া) গ্রামের মন্টু মিয়ার সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিন ধরে জমির সীমানা ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ সেপ্টেম্বর সকালে বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য ইট, বালু, সিমেন্ট ও রড কেনার উদ্দেশ্যে মন্টু মিয়া বাড়ি থেকে নগদ ৫ লাখ টাকা নিয়ে বের হন।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, তিনি বাড়ির উঠানে পৌঁছালে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সেখানে প্রবেশ করে তার ওপর হামলা চালান। এ সময় ধারালো দা ও বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তার মাথা ও কপালে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। পরে তাকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিলা, ফোলা ও কালশিরার জখম করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার একপর্যায়ে তাকে গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করা হয় এবং বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য সঙ্গে থাকা নগদ ৫ লাখ টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্বজন ও স্থানীয়রা আহত মন্টু মিয়াকে উদ্ধার করে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন কবির বলেন, “লিখিত এজাহার পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
প্রতিবেদকের নাম 

















