সংবাদ আজকাল ডেস্ক: বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১২০তম সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে বগুড়া জেলা বিএনপি।
শুক্রবার (০৮ মে) বিকেলে নগরীর নবাববাড়ী রোডস্থ জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে বগুড়া জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকিরের সভাপতিত্বে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। বিশেষ করে ব্যান্ড পার্টির বাজনার তালে তালে নেচে-গেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান তারা। এ সময় পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
আনন্দ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবার রহমান, হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মোশারফ হোসেন এমপি, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, বিএনপি নেতা ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, এম আর ইসলাম স্বাধীন, মনিরুজ্জামান মনি, তাহা উদ্দিন নাহিন, শহিদ উন নবী সালামসহ জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিকার-এর ১২০তম বৈঠকে বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বগুড়া দেশের ১৩তম সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হতে যাচ্ছে। এ ঘোষণার পর থেকেই বগুড়াজুড়ে আনন্দের জোয়ার বইছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী মহলে চলছে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার পালা।
বগুড়া মহানগর বিএনপির ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি এইচ মিটন বলেন, “বগুড়াকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ শহরের আধুনিক নগরায়ণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সড়ক যোগাযোগ ও আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত হবে।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সিটি কর্পোরেশন বাস্তবায়নের মাধ্যমে বগুড়ার সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং উত্তরাঞ্চলের অন্যতম অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে শহরটি আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।